ইরানের পর আমেরিকার নতুন লক্ষ্য ইরাক!

ইরাকে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে সৌদি বাহিনীর সঙ্গে যৌথ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এতে ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠীর অন্তত ২০ সেনা নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে ৩২ জন। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডের (আইআরজিসি) নির্দেশনায় মার্কিন ঘাঁটি ও সৌদি জ্বালানি স্থাপনায় ইরাকি সশস্ত্র গোষ্ঠীর হামলার জবাবে এ অভিযান বলে দাবি সেন্টকমের। এদিকে জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে ইরান।

ইরানের পর এবার যুক্তরাষ্ট্রের হামলার নতুন লক্ষ্যবস্তু ইরাক। আর এই অভিযানে সঙ্গী সৌদি আরব। ইরান-সমর্থিত ইরাকের সশস্ত্র গোষ্ঠী পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সেসের বিরুদ্ধে আকস্মিকভাবে চালানো হয় যৌথ অভিযান।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)-এর দাবি, ইরানের নির্দেশনায় এই গোষ্ঠী অর্থাৎ পিএমএফের ড্রোন হামলার প্রতিক্রিয়ায় এ হামলা। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড (আইআরজিসি) তাদেরকে মার্কিন সেনাঘাঁটি ও সৌদির জ্বালানি স্থাপনায় হামলার নির্দেশ দিয়েছিল বলেও অভিযোগ।

সেন্টকমের দাবি, ফেব্রুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ইরাকে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো মার্কিন স্থাপনা লক্ষ্য করে ৬০০টির বেশি হামলার চেষ্টা করেছে। এ ধরনের হামলা দ্রুত বন্ধ করা না হলে আরও জোরালো সামরিক পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি সেন্টকমের।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের এসব দাবি অস্বীকার করেছে আইআরজিসি। এদিকে হামলার পরপরই জরুরি বৈঠক ডেকেছেন ইরাকের প্রধানমন্ত্রী আলি আল জাইদি।

হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওমানের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইরান। পাশাপাশি, ওমানের রুটে একটি অংশে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ রাখার প্রস্তাব দিয়েছে তেহরান।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠক করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৈঠকের আগে নেতানিয়াহুকে নিয়ে ট্রাম্প বিরক্তি ও হতাশা প্রকাশ করলেও দুই নেতার আলোচনা ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ বলে জানায় হোয়াইট হাউস।