যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে ইরান। রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে দেশটি। এছাড়া সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, কাতার ও ওমানসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করছে তেহরান। যুক্তরাষ্ট্র যখন পুনরায় যুদ্ধ শুরুর কথা বিবেচনা করছে, সে সময় এমন পদক্ষেপ নিয়েছে ইরান।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদন বলছে, ইরানে বড় ধরনের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট সাংবাদিকদের বলেন, ওয়াশিংটন হয়তো তেহরানের বাকি অংশও ধ্বংস করতে দিতে পারে।
এছাড়া, গত সপ্তাহে ইরানে কেশম দ্বীপে গোয়েন্দা ড্রোন দিয়ে অভিযান চালায় যুক্তরাষ্ট্র। যদিও পরে তা প্রতিহত করে ইরানি বাহিনী। এমন পরিস্থিতিতে, যুদ্ধ বন্ধে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার কাতারের আলোচকদের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের কাছে একটি নতুন প্রস্তাব পাঠিয়েছে তেহরান। ট্রাম্প প্রশাসন বর্তমানে প্রস্তাবটি পর্যালোচনা করছে।
পাশাপাশি রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছে ইরান। বৃহস্পতিবার ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা মোহসেন রেজাই আলোচনার জন্য মস্কো সফর করেন। সফরে রুশ প্রেসিডেন্টের কাছে সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির একটি বার্তা পৌঁছে দেন তিনি। একে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অভিহিত করেছেন রেজাই।
কূটনৈতিক তৎপরতার অংশ হিসেবে উপসাগরীয় অঞ্চলের বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গেও ফোনালাপ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। এদের মধ্যে রয়েছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ফেরানোর প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনা করেছেন তারা।
রিয়াদের তথ্য অনুসারে, আরাগচি সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদের সঙ্গে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা উন্নয়নের প্রচেষ্টা নিয়ে কথা বলেছেন।
এছাড়া- কাতার, কুয়েত, ওমান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গেও উত্তেজনা প্রশমনের উপায় নিয়ে আলোচনা করেছেন ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী।