বেইলি রোডে আগুন

মানুষের জীবনের যেন দামই নেই: জিএম কাদের 

আপডেট : ০১ মার্চ ২০২৪, ১০:৫৪ এএম

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধীদলীয় নেতা জিএম কাদের। শুক্রবার এক শোকবার্তায় নিহতদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তিনি। 

শোকবার্তায় জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান বলেন, ‘ভয়াবহ দুর্ঘটনা যেন নিত্য দিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমন ভয়াবহ দুঃসংবাদ মেনে নেয়া যায় না। মানুষের জীবনের যেন দামই নেই।’ 

জিএম কাদের আরো বলেন, ‘তদন্তে কারো দায় প্রমাণ হলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। আহতদের সুচিকিৎসা এবং নিহতদের পরিবারকে যৌক্তিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।’

এদিকে আরেক শোকবার্তায় এ ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু। 

বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে লাগা ভয়াবহ আগুনে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৬ জনে। ফায়ার সার্ভিসের ১৩ ইউনিটের চেষ্টায় দুই ঘন্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও পুড়ে গেছে বাণিজ্যিক ভবনটি।

রাত পৌনে ১০টায় দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। ৯টা ৫৬ মিনিটে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট কাজ শুরু করে। একে একে যোগ দেয় ১৩টি ইউনিট।

প্রত্যক্ষদর্শীরা বলছেন, হঠাৎ বিকট শব্দ শুনতে পান তারা। মূহুর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে।

প্রথম দুই ঘণ্টা কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। তবে রাত ১২টার পর থেকে আহত ব্যক্তিদের ভবন থেকে বের করে আনা হয়।

ফায়ার সার্ভিস বলছে, পুরো ভবনে অসংখ্য গ্যাস সিলিন্ডার মজুত ছিল। এমনকি সিঁড়িতেও মজুত ছিল সিলিন্ডার। ফলে ভবনটিতে আগুন লাগার সঙ্গে সঙ্গে তা দাউ দাউ করে জ্বলে ওঠে। 

ভবনটিতে পর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা ছিল না বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

ভবনটিতে কাচ্চি ভাই, পিৎজা ইন, স্ট্রিট ওভেন, খানাসসহ বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট রয়েছে। এছাড়া ইলিয়েন, ক্লোজেস্ট ক্লাউডসহ বেশকিছু জনপ্রিয় পোশাকের দোকানও রয়েছে।

ঘটনা তদন্তে এরই মধ্যে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে ফায়ার সার্ভিস।

ফায়ার কোড না মেনে কারখানা গড়ে তোলার কারণে ঘনবসতিপূর্ণ আবাসিক এলাকায় একের পর এক আগুনে বাড়ছে প্রাণহানির ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞদের মতে,  নিরাপত্তাব্যবস্থার ঘাটতি আর আইন প্রয়োগে শিথিলতায় বাড়ছে বিপদ। নিমতলী ও...
শনাক্ত প্রক্রিয়া শেষে দ্রুতই কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত বাংলাদেশিদের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। পরিবার চাইলে এর খরচ বহনের বিষয়টি বিবেচনা করবে সরকার। বুধবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক ব্রিফিংয়ে...
কলকাতায় হোটেলে আগুনে নিহত ৯ জনের মধ্যে ৬ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে ৪ জনের বাড়িই কুষ্টিয়ায়, একজনের ঢাকায়। তাদের সবার মরদেহ কলকাতার মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রাখা হয়েছে। 
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় নিশ্চিত হওয়া গেছে। ওই ঘটনায় নিহত একজন ভারতীয়, শনাক্ত হয়নি বাকি ৩ জনের পরিচয়। এ তথ্য দিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
যারা একসময় হরতাল অবরোধ দিয়ে দেশকে অচল করে দেওয়া হবে বলেছিল, আজকের বিরোধী দল তাদেরই সঙ্গী বলে মন্তব্য করেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী ও বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। শুক্রবার রাতে...
দেশে টানা কয়েক বছর ধরে বাড়ছে দারিদ্র্যের হার। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, চার বছরে নতুন করে দরিদ্র হয়েছে ৮০ লাখ মানুষ। একই সঙ্গে বেড়েছে ধনী-গরিব আয় বৈষম্য। দারিদ্র্যসীমার কিছুটা ওপরে থাকা প্রায় ৬ কোটি ২০...
ইয়েমেনের তাইজে হুতি বিদ্রোহীদের ১৬ যোদ্ধাকে হত্যার দাবি করেছে সেনাবাহিনী। এছাড়া ৮ ঘণ্টার দীর্ঘ লড়াইয়ে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে বলেও জানায় তারা।
জুলাই সনদ সই হওয়ার এক বছর আজ। বাস্তবায়ন নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা। সরকার বারবার বলেছে, নোট অব ডিসেন্টসহ সনদ বাস্তবায়ন করবে তারা। তবে একথা মানতে নারাজ বিরোধীরা। দুপক্ষের মধ্যে সংবিধান সংশোধন আর সংস্কার...
লোডিং...
পঠিত নির্বাচিত

এলাকার খবর