জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানি ঘিরে আদালতের এজলাস কক্ষে হাতাহাতিতে জড়ান জামায়াত ও বিএনপিপন্থী আইনজীবীরা। এমন কাণ্ডে এজলাস ত্যাগ করেন বিচারক। পরবর্তীতে পরিস্থিতি শান্ত হলে শুনানি শুরু করেন তিনি।
শুনানি শেষে আসামির আইনজীবীদের আবেদন নাকচ করে, আক্তারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম।
আজ রোববার ১ দিনের রিমান্ড শেষে জামায়াত নেতা অবসরপ্রাপ্ত মেজর আখতারুজ্জামানকে হাজির করা হয় ঢাকার সিএমএম আদালতে। এজন্য আগে থেকেই আদালত চত্বরে নেওয়া হয় বাড়তি নিরাপত্তা।
আজ বেলা ২টার পর এজলাসে তোলা হয় আখতারুজ্জামানকে। এসময় এজলাস কক্ষে অবস্থান করাকে কেন্দ্র করে বাকবিতণ্ডায় জড়ান দুপক্ষের আইনজীবীরা। এক পর্যায়ে হাতাহাতিও হয় তাদের মধ্যে।
অপ্রীতিকর এ ঘটনার জেরে এজলাস কক্ষ ছেড়ে যান বিচারক। কিছুক্ষণ পর পরিস্থিতি শান্ত হলে শুরু হয় জামিন শুনানি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত আসামিকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা। অন্যদিকে আসামির বয়স ও শারীরিক অসুস্থতা বিবেচনায়, জামিন চান তার আইনজীবীরা।
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে লাগেজ ও ট্রলি সংকটকে কেন্দ্র করে, বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হয় জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের। পরে বিশৃঙ্খলা ও সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার মামলা করে বেবিচক। সে মামলায় ক্যান্টনমেন্ট থেকে আখতারুজ্জামানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)।


