টানা বর্ষণ আর উজানের পাহাড়ি ঢলে দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের নদ-নদীর পানি আবারও বাড়ছে। সুনামগঞ্জে সকাল থেকে বৃষ্টির কারণে সুরমা, জাদুকাটা, বৌলাই ও রক্তি নদীর পানি বাড়ায়, বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে বলে দাবি জেলা প্রশাসনের। এদিকে, লালমনিরহাটে তিস্তার পানি কমলেও নীলফামারীতে চর ও নিচু অনেক এলাকা তলিয়েছে।
সুনামগঞ্জে টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে সুরমা, জাদুকাটা, বৌলাই ও রক্তিসহ বিভিন্ন নদীর পানি বাড়ছে। আগামী পাঁচ দিন থাকবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি, বলছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস।
বৃষ্টির কারণে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার কাছাকাছি পৌঁছানোর আশঙ্কা পানি উন্নয়ন বোর্ডের। এতে প্লাবিত হতে পারে জেলার নিচু এলাকা। তবে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় পর্যাপ্ত প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানিয়েছে জেলা প্রশাসন।
সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিনহাজুর রহমান বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পর্যাপ্ত শুকনো খাবার মজুত রয়েছে।’
লালমনিরহাটে তিস্তার পানি বেড়ে কালীগঞ্জ, আদিতমারী ও সদর উপজেলার নিম্নাঞ্চলের কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। ধান, বাদামসহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষেত তলিয়ে ক্ষতির শঙ্কায় কৃষক।
নীলফামারীতে চর ও নিচু এলাকাগুলোতে পানিতে তলিয়েছে অনেক বসতভিটা। এরইমধ্যে আগাম ফসল ঘরে তোলায় কৃষকের ক্ষয়ক্ষতি তুলনামূলক কম হয়েছে। তবে দীর্ঘদিন ধরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের স্থায়ী সংস্কার না হওয়ায় নদীভাঙন ও বন্যার ঝুঁকিতে উদ্বেগে স্থানীয়রা।