পাটের ফলন ভালো হলেও দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক 

ফরিদপুর ও চুয়াডাঙ্গায় এবার পাটের ফলন ভালো হলেও, ন্যায্য দাম পাওয়া নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক। বীজ, সার, শ্রমিকের মজুরি-সব মিলিয়ে বেড়েছে উৎপাদন ব্যয়। এ অবস্থায় বাজারে কাঙ্ক্ষিত দাম না পেলে লোকসানের আশঙ্কা চাষিদের।

কেউ পাট কাটছেন, আবার কোথাও চলছে পাট জাগ দেওয়া ও আঁশ ছাড়ানোর কাজ। সোনালী আঁশ ঘরে তুলতে ব্যস্ত দেশের অন্যতম প্রধান পাট উৎপাদনকারী জেলা ফরিদপুরের কৃষকরা। 

অনুকূল আবহাওয়া আর সময়মতো পরিচর্যায় এবার পাটের ফলনও হয়েছে ভালো। কিন্তু তাতেও স্বস্তি নেই কৃষকের। তারা বলছেন, উৎপাদন খরচ আগের চেয়ে কয়েকগুণ বাড়লেও, সেই অনুপাতে বাড়েনি দাম।  

চুয়াডাঙ্গার পাটের ফলন ভালো হলেও, পানির অভাবে দূরে নিয়ে জাগ দিতে গিয়ে বাড়তি টাকা গুণতে হচ্ছে কৃষকদের। কৃষকরা জানান, বিঘাপ্রতি প্রায় ২০ হাজার টাকা খরচ হয় পাট চাষে। নায্য দাম না পেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তারা।  
 
ফরিদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (উদ্যান) ফরহাদুল মিরাজ বলেন, ‘বর্তমানে দাম কম থাকলেও, পাট সংরক্ষণ করা গেলে পরবর্তীতে ভালো দাম পাওয়ার যাবে।’

উৎপাদন খরচের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সোনালি আঁশের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতে সরকারের তদারকি ও কার্যকর পদক্ষেপ চান কৃষকরা।