জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পাখি মেলার আয়োজন

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পাখি মেলা, লোকে-লোকারণ্য। তবে কমেছে পরিযায়ী পাখির সংখ্যা। আগন্তুকদের অহেতুক হৈচৈ আর লেকের পাশেই গাড়ির শব্দ দূষণকে এর কারণ বলছেন গবেষকেরা। এবারের আয়োজনে তাই নিরাপদ আবাস ও সংরক্ষণে সচেতনতা ছিলো প্রতিপাদ্য।

পাখির কলকাকলীতে মুখর জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের লেক। পৌষের নরোম রোদ পালকে মেখে ভেসে বেড়াচ্ছে পাতি সরালী। হুটহাট ঝাঁক বেধে আকাশে উড়াল।

শুধু সরালী নয়, এখানে আস্তানা নিশিবক, শামুক খোল, ডাহুকের। খাবার ও নিরাপত্তা থাকায় এদের আনাগোনা বেশি।

তবে রেজিস্ট্রার্ড ভবনের পাশের লেকটির চিত্র বিপরীত। অন্যবারের তুলনায় এবার এখানে পাখির আনাগোনা বেশ কম। তারপরও শাপলা পাতায় ঘুরছে কিছু ডাহুক। ডুব সাঁতারে ব্যস্ত পানকৌড়ি। খঞ্জনার নাচে মুগ্ধ আগতরা।

১৮৭-র মধ্যে শীতে ৬৮ প্রজাতির পরিযায়ী পাখির আনাগোনা এই শ্যামল বিদ্যাপিঠে। এদের সংরক্ষণে বনায়নের বিকল্প দেখছেন না গবেষক।

হাওর-বাওর-জলাধারে শুধু পরিযায়ী নয়, সব পাখির অস্তিত্বই এখন হুমকির মুখে। গত বছর চোরা-শিকারীদের কাছ থেকে ৪ হাজারের বেশি পাখি উদ্ধার করে বন বিভাগ।

পরিযায়ীসহ পাখি সংরক্ষণে সচেনতা বাড়াতে ১৯ বছর ধরে মেলা করছে জাবির প্রাণিবিদ্যা বিভাগ। এবারও টেলিস্কোপে পাখি দেখা, অডিও-ভিজুয়ালে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় প্রতিযোগিতার পাশাপাশি আয়োজন ছিলো কুইজের।

/এন-এইচ/