কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্যের অপসারণের দাবিতে সকল প্রশাসনিক ও অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষক সমিতি। তবে ভর্তি পরীক্ষা এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।
আজ সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক লাউঞ্জে শিক্ষক সমিতির জরুরি সাধারণ সভা শেষে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ডক্টর মোহাম্মদ আবু তাহের।
এ সময় শিক্ষকেরা জানান, উপাচার্য ও প্রক্টরকে অপসারণের এক দফা দাবি তাদের। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত অনড় থাকবেন তাঁরা।
এদিকে উপাচার্য এএফএম আব্দুল মঈনের নেতৃত্বে বহিরাগত সন্ত্রাসীদের অংশগ্রহণে শিক্ষকদের ওপর হামলার ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
অভিযোগপত্রে ড. মো. আবু তাহের উল্লেখ করেন, গতকাল রোববার নিজ কার্যালয়ে প্রবেশের সময় উপাচার্য, ট্রেজারার এবং ডক্টরের নেতৃত্বে অন্তত ২০জন আন্দোলনকারী শিক্ষকদের ওপর হামলা করেন। এ সময় ২০ জন শিক্ষক আহত হয় বলে দাবি করা হয়।
শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান বলেন, গত রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষকদের সঙ্গে ভিসিপন্থীদের ঘটে যাওয়া হাতাহাতির ঘটনায় কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের দ্রুত সময়ের মধ্যে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছি।
এসব বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেন, ‘শিক্ষকদের সকল দাবি মেনে নিতে আলোচনা হতে পারে। তবে শিক্ষক সমিতি শিক্ষার্থীদের জিম্মি করে আন্দোলন করছে। শিক্ষার্থীবান্ধব শিক্ষক হলে তারা এই ধরনের কর্মসূচিতে যেতেন না। আর আমরা বারবারই বলেছি সমস্যার সমাধানে আলোচনা হতে পারে। বেশ কয়েকটি দাবি মেনেও নেওয়া হয়েছে, তারপরও তারা অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে কর্মসূচি দিয়ে আসছেন। এসবই অযৌক্তিক।’