ফেনীর দাগনভূঁঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর শহীদ খোরশেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে সেই একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষকের নাম নারায়ণ চন্দ্র রায়।
বুধবার ঐ শিক্ষার্থীর মা উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসকের কাছে মেয়েকে যৌন হয়রানির বিচার চেয়ে ঐ শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তি দাবি করে আবেদন করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার (২৬ নভেম্বর) স্কুলের বিরতির পর পঞ্চম শ্রেণির ইংরেজি বিষয়ের সময় স্কুলের প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র রায় ঐ শিক্ষার্থীকে পড়ানোর নাম করে কাছে টেনে নিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাত দিয়ে যৌন হয়রানি করে। পরে ঐ শিক্ষার্থী স্কুল থেকে কান্না করতে করতে বাড়ি তার মাকে বিষয়টি অবগত করে।
অভিযোগ প্রসঙ্গে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সাইফুর রহমান বলেন, ‘ঐ শিক্ষার্থীকে প্রধান শিক্ষক কতৃক যৌন হয়রানির কথা শুনে আমরা সাথে সাথে দুই সদস্যেও একটি তদন্ত কমিটি করেছি। তারা সরেজমিন গিয়ে সাক্ষ্যগ্রহন করেছে। আশাকরি আগামীকালের মধ্যেএকটি সিদ্ধান্ত জানাতে পারব। তদন্ত কমিটির সদস্যরা হলেন সহকারি উপজেলা শিক্ষা অফিসার দিলরুবা লাইলী ও জি এম নাহিদুল হাসান।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিবেদিতা চাকমা বলেন, ‘আমরা অভিযোগটি পেয়েছি, তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উল্লেখ্য, প্রধান শিক্ষক নারায়ণ চন্দ্র ইতিপূর্বে সোনাগাজীর চরচান্দিয়া সুলতান আহম্মদ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে একই ঘটনায় স্থানীয় জনগণের রোষানলে পড়লে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাকে উদ্ধার করে দাগনভূঁঞা উপজেলার মাতুভূঞা ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর শহীদ খোরশেদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলি করেন।