শরীয়তপুর থেকে আসা রকিব উদ্দিন। সে নারায়ণগঞ্জ যাবে। ভোরে ঘন কুয়াশায় বের হয়নি। কিছুটা বিলম্বে বের হলেও সূর্য দেখা নেই। প্রয়োজনের তাগিদ ছাড়া শীতে ঘর থেকে বের হচ্ছে না কেউ।
আল বোরাক লঞ্চের সুপার ভাইজার বাবুল মিয়া বলেন, ‘শীতের কারণে যাত্রী কম হয়। সকাল ৬টার লঞ্চ যায়নি। কুয়াশা হলে লঞ্চ নোঙর করে রাখা হয়। কুয়াশা কেটে গেলে লঞ্চ ছাড়া হয়। লঞ্চে কোন যাত্রী নাই। আমাদের সমস্যা হচ্ছে।’
চাঁদপুর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের উপ-পরিচালক বশির আলী খান বলেন, ‘ঘন কুয়াশায় লঞ্চগুলোকে নির্দেশনা প্রদানের জন্য ২৪ ঘণ্টা কাজ করছেন তারা। রাতে মাঝ নদীতে নোঙর করে রাখা। শিডিউল পরিবর্তন করাসহ সব কিছুই আবহাওয়ার ওপর নির্ভর করছে।’
এদিকে চাঁদপুর আবহাওয়া অফিসের উচ্চ পর্যবেক্ষক শাহ মুহাম্মদ শোয়েব বলেন, ‘শুক্রবার চাঁদপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বৃহস্পতিবার সব্বোচ তাপমাত্রা ছিল ১৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বাড়ছে।’