শঙ্কামুক্ত চাঁদপুরের সেই ইমাম, আসামির ৭ দিনের রিমান্ড চেয়েছে পুলিশ

চাঁদপুরে জুমার নামাজ শেষে মসজিদে খতিবকে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় আহত সেই ইমাম বর্তমানে শঙ্কামুক্ত বলে জানিয়েছে পরিবার। এদিকে আজ শনিবার বিকেলে হামলাকারী বিল্লাল হোসেনকে আদালতে তোলা হয়। জবানবন্দি শেষে সাত দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেছে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান। 

এর আগে গতকাল শুক্রবার চাঁদপুর পৌর এলাকার প্রফেসর পাড়া মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদে ভেতরে মদিনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক মোবাল্লেগ ও প্রফেসর পাড়া মোল্লা বাড়ি জামে মসজিদের প্রতিষ্ঠাতা খতিব মাওলানা আ ন ম নূর রহমান মাদানীর ওপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালানো হয়। পরে ওই দিন রাতে চাঁদপুর মডেল থানায় মামলাটি করেন আহত ব্যক্তির বড় ছেলে আফনান তাকি।

জানা গেছে, জুমার নামাজে আলোচনা ও খুতবা নিয়ে মসজিদের মাওলানা আ ন ম নূর রহমান মাদানীর ওপর ক্ষিপ্ত ছিলেন ওই এলাকার বিল্লাল হোসেন। ঘটনার দিন নামাজ শেষে মসজিদের ভেতরে পূর্বপরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র (চাপাতি) দিয়ে মসজিদের খতিবের ওপর হামলা চালান তিনি। এতে করে রহমান মাদানীর মাথায় গুরুতর জখম হয়। পরবর্তীতে মুসল্লিরা তাঁকে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। এ সময় হামলাকারী বিল্লাল হোসেনকে আটক করে পুলিশ সোপর্দ করে মুসল্লিরা।

এদিকে মাওলানা আ ন ম নূর রহমান মাদানীর ওপর হামলার পর সারা দেশে তীব্র নিন্দার ঝড় উঠে। এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চেয়েছে সচেতন মহল। রাত থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এ নিয়ে চলে ব্যাপক সমালোচনা।

মাওলানা আ ন ম নূর রহমান মাদানীর বড় ছেলে আফনান তাকি বলেন, ‘আমার বাবার ওপর হামলাকারী ব্যক্তির বিচার দাবি করছি। আমার বাবাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য শুক্রবার রাতে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা হলি কেয়ার হসপিটালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি শঙ্কামুক্ত আছেন।’ 

চাঁদপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মিন্টু দত্ত বলেন, ‘শুক্রবার রাতে মাওলানা রহমান মাদানীর বড় ছেলে আফনান তাকি বাদী হয়ে বিল্লাল হোসেনের নামে থানায় মামলা করেন। এ ঘটনায় পুলিশের পক্ষ থেকে তদন্ত শুরু হয়েছে।’