ভারত থেকে আসা ৩ হাজার কেজি পপি বীজ জব্দ

রাঙ্গামাটির বরকলে ভারত থেকে আসা কোটি টাকা মূল্যের ৩ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পপি বীজ জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ- বিজিবি। আজ শনিবার এই বিপুল পরিমাণ পপি বীজ আটক করা হয়েছে বলে বিজিবি নিশ্চিত করেছে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকবার বড় আকারে পপি বীজ জব্দের ঘটনা ঘটেছে। গত ১৯ মার্চ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় অবৈধভাবে পাচারের সময় প্রায় ৮০০ বস্তা নিষিদ্ধ পপি বীজ সদৃশ দানা জব্দ করে পুলিশ। উপজেলার কালাইয়া বন্দর এলাকার ধানহাট সংলগ্ন স্থান থেকে একটি ট্রলার ও ট্রাকসহ এসব বস্তা জব্দ করা হয়।

এর আগে, গত বছরের ৬ নভেম্বর পাখি খাদ্যের নামে পাকিস্তান থেকে আসা এক চালানে চট্টগ্রাম বন্দরে ধরা পড়ে প্রায় ২৫ হাজার কেজি নিষিদ্ধ পপি বীজ। প্রায় সাড়ে ৬ কোটি টাকা বাজারমূল্যের এই চালানটিতে নিষিদ্ধ পপির বীজ পাওয়া যায় ২৪ হাজার ৯৬০ কেজি।

পপি বীজ হচ্ছে এক প্রকার তৈলবীজ যা পপি গাছ ‘পাপাভার সোমনিফেরিয়াম’ থেকে পাওয়া যায়। এই গাছটি আফিম পপি নামেও পরিচিত। ছোট, কিডনি-আকৃতির এই বীজগুলোর গায়ে ছোট ছোট গর্ত থাকে। পপি গাছের ফুল ঝরে যাওয়ার পর যে ফল বা ক্যাপসুল তৈরি হয়, তার অভ্যন্তরে থাকা ক্ষুদ্র, রেনুর মতো বীজই হলো পপি বীজ।

আমাদের দৈনন্দিন জীবনে রান্নাঘরে সাধারণ মসলা হিসেবে ব্যবহৃত হয় এই পপি সিড, যা পোস্তদানা নামে সুপরিচিত। খাবার হিসেবে যেমন এর উপযোগীতা আছে, তেমনি আছে জীবন রক্ষাকারী ঔষধ (মরফিন) হিসেবেও। তবে এর পাশাপাশি জীবন ধ্বংসকারী মারাত্মক মাদক আফিম তৈরিতেও ব্যবহৃত হয় পপি বীজ। একে ঘিরে বিতর্কের শুরু মূলত এখান থেকেই।

আরও পড়ুন:
পপি সিড খাবার নাকি মাদক?