ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে সড়ক বিভাজকের মাঝখান থেকে সোনালু, জারুল, বকুল ও পলাশসহ বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল সংখ্যক গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে সড়ক ও জনপদ বিভাগের কার্য সহকারী মোবারক হোসেন বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন।
স্থানীয়দের দাবি মহাসড়কের পাশের ক্রাউন সিমেন্টের বিলবোর্ড দৃশ্যমান করতে এ গাছগুলো কাটা হয়েছে।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ জুন রাত থেকে ২২ জুন সকালের মধ্যেই চৌদ্দগ্রাম উপজেলা উজিরপুর ইউনিয়ন শামুকসার মহাসড়কের বিভাজক থেকে এই গাছগুলো কাটা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মরুস খানা চার লেনে উন্নিত করার সময় এক লেনের গাড়ির হেডলাইটের আলো যাতে বিপরীত লেনের গাড়ির সঙ্গে দুর্ঘটনা কারণ না হয়, সেটি বিবেচনায় নেওয়া হয়েছিল। মহাসড়কের সৌন্দর্য্য বর্ধনে সড়ক ও জনপথ বিভাগ ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বিভাজকে বিভিন্ন রকমের ফুল ও ফল গাছ রোপন করে। গাছগুলো হলো– হৈমন্তি, কুর্তি, রাধাচূড়া, কাঞ্চন, সোনালু, কৃষ্ণচূড়া, কদম, বকুল, পলাশ, কবরী, কেসিয়া ও জারুল।
কুমিল্লা সড়ক ও জনপদ বিভাগের কার্য সহকারী মোবারক হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো গত ২২ জুন সকালে বিভাজকের মধ্যে থাকা বিভিন্ন গাছগুলো অক্ষত অবস্থায় দেখেছিলাম। পরবর্তীতে আমাদের অফিসের উপ-সহকারী প্রকৌশলী পলাশ চাকমা আমাকে ফোন করে জানায় যে, চৌদ্দগ্রাম থানাধীন উজিরপুর ইউনিয়নের শামুকসার মেসার্স শাহ নেওয়াজ ব্রিক ফিল্ডের পূর্ব ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাঝখানের বিভাজনের মধ্যে থেকে গাছ কেটে নিয়ে গেছে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চৌদ্দগ্রাম থানার উপ–পরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, গাছ কাটার ঘটনায় চৌদ্দগ্রাম থানায় মামলা হয়েছে। মামলার তদন্ত প্রক্রিয়াধীন।
সড়ক ও জনপদ বিভাগ কুমিল্লার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আদনান ইবনে হাসান বলেন, মহাসড়কের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য গাছগুলো লাগানো হয়েছিল। কিছু দুর্বৃত্ত গাছগুলোকে কেটে নিয়েছে। গাছ কাটার ঘটনায় আমরা থানায় একটি মামলা করেছি।