একসঙ্গে মা ও তিন বোনকে হারিয়ে বাকরুদ্ধ লক্ষ্মীপুরের রায়পুরের বাসিন্দা সিফাত হোসেন। কেন এই হত্যাকাণ্ড, মিলছে না তার জবাবও। এদিকে, হত্যায় জড়িত অভিযোগে একজন গণপিটুনিতে মারা গেলেও প্রতিবেশীরা বলছেন, ৪ জনকে কুপিয়ে হত্যা করা কেবল একজনের পক্ষে সম্ভব নয়। এর মধ্যে গণপিটুনিতে নিহত অন্তরসহ অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের হয়েছে রায়পুর থানায়।
বৃহস্পতিবার কাজে যাওয়ার সময়ও কিশোর সিফাত হোসেন জানতেন না, বাড়ি ফিরে মা আর ৩ বোনকে তার আর কখনোই দেখা হবে না। জানতেন না, বাবার মৃত্যুর পর ধীরে ধীরে গুছিয়ে ওঠা ঘর এমন শূন্য হয়ে যাবে আকস্মিক হত্যার ঘটনায়।
আত্মীয়-স্বজন আর প্রতিবেশীরা আসছেন সান্ত্বনা দিতে। তবে অনিশ্চতার মুখোমুখি দাঁড়ানো এ কিশোরের সামনে সবই যেন ধোঁয়াশা। নিহতের পরিবারের সদস্যরাও বুঝে উঠতে পারছেন না, কেন এ ঘটনা।
ঘটনার পর থেকে থমথমে আশপাশের এলাকা। প্রতিবেশীদের সন্দেহ হত্যকাণ্ডে একাধিক ব্যক্তি জড়িত থাকতে পারে।
কী কারণে হত্যা, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রায়পুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাহীন মিয়া বলেন, ‘কী কারণে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটেছে। সেটা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের চেষ্টা চলছে। এটার সাথে আরও কেউ জড়িত আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মরদেহগুলো ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে বৃহস্পতিবার সকালে ঘরে ঢুকে মা ও তিন মেয়েকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। পরে গণপিটুনিতে মারা যায় অভিযুক্ত প্রতিবেশী অন্তর মজুমদারও।