বেইলি রোডের বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ৪৪ জন নিহত হয়েছে বলে সাংবাদকিদের জানয়িছেনে পুলিশের মহাপরিদর্শক চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন। নিহতদের মধ্যে চারজনের মরদেহ এখন পর্যন্ত শনাক্ত করা গেছে।
নিহতদের মধ্যে একজন ভিকারুন্নেসা স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক লুৎফুর নাহার লাকি ও অন্যজন তানজিলা এশা। দুজনেরই বয়স ত্রিশের মতো হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পিরিচয় শনাক্ত হওয়া অন্য দুজন হলেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী নাহিয়ান আমিন ও লামিশা ইসলাম।
এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন ৪৩ জন নিহতের কথা জানান। এর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৩৩ জন, শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে ১০ জন এবং কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালে ১ জন নিহত হয়। নিহতদের মধ্যে নারী ও শিশুর সংখ্যা অনেক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ঘটনার পরপরই শেখ হাসিনা বার্ন ইনস্টিটিউটে পরিদর্শনে যান স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন। পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় হাসপাতালগুলো কর্তৃপক্ষ সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, অধিকাংশই নিহত হয়েছে শ্বাসনালী পুড়ে যাওয়ার কারণে। এ ছাড়া ধোয়ার কারণে শ্বাসরোধ হয়েও অনেকে মারা গেছে।
বেইলি রোডের গ্রিন কোজি নামের ভবনটির নিচতলায় একটি জুসের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। যা পরে ভবনটিতে থাকা গ্যাসের সিলিন্ডারের কারণে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অবশ্য ২ ঘণ্টার চষ্টোয় ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এর পর সেখান থেকেই তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিস।
এ ছাড়া ৪২ জনকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। আর জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে ৭৫ জনকে।