পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের সম্পত্তির অনুসন্ধানের অগ্রগতি প্রতিবেদন দুই মাসের মধ্যে দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। এদিকে, দুদক বলছে আইন অনুযায়ী অনুসন্ধানের জন্য ৭৫ কার্যদিবস সময় আছে। তবে হাইকোর্টের বেধে দেয়া সময়ের মধ্যেই অনুসন্ধানের অগ্রগতি জানানো হবে।
মঙ্গলবার এক রিট আবেদনের পরিপ্রক্ষিতে ২ মাসের মধ্যে বেনজীর সংক্রান্ত দুদকের অগ্রগতি রিপোর্ট দাখিলের নির্দেশ দেয় আদালত।
অবৈধ সম্পদ বিষয়ে নিজের পক্ষে সাবেক আইজিপি বেনজীরের সাফাই এবং দুদকে ব্যারিস্টার সুমনের পাল্টা অভিযোগের পরই নড়েচড়ে বসে দুদক। বেনজীরের অবৈধ সম্পদ খুঁজতে তিন সদস্যের দল গঠন করে সংস্থাটি।
রিটকারীর আইনজীবী এম সরওয়ার হোসেন বলেন, ‘এই মামলার যদি সুষ্ঠু তদন্ত না হয়, তাহলে বাংলাদেশে দুর্নীতির ফ্ল্যাট গেইট ওপেন হবে।’
বেনজীর আহমেদের আইনজীবী শাহ মনজুরুল হক বলেন, ‘রিটের মূল বিষয় বস্তুর অস্তিত্ব নেই। এ জন্য আমাদের সাবমিশন ছিল, এই মামলায় কোনো রুল ইস্যু করা সমীচীন হবে না।’
দুদক বলছে, আইনের বেঁধে দেয়া সময়সীমার মধ্যেই অনুসন্ধান শেষ করা সম্ভব হবে। হাইকোর্টের আদেশ মেনে অগ্রগতি প্রতিবেদনও জানানো যাবে।
দুদক কমিশনার জহুরুল হক বলেন, ‘আইনে যা আছে তা মানতে হবে। আইননুযায়ী যা হয় আমরা তা করবো। হাইকোর্টের নির্দেশও মানবো। কী নির্দেশ দেয় তা আমরা দেখবো। তদন্ত শুরু করছি আমরা, তদন্ত চলছে।’
গত মাসের শেষে একটি জাতীয় দৈনিকে সাবেক আইজিপি বেনজীরের অবৈধ সম্পদ নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশের পর আলোচনা আসেন তিনি।