উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল ও কলেজে উড়োজাহাজ বিধ্বস্তের স্থান পরিদর্শনে গিয়ে শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পড়েছেন আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার ও প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। প্রায় ৭ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে সেখানে অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছেন তারা।
এ সময় আইন উপদেষ্টা শিক্ষার্থীদের দাবি মানার আশ্বাস দিলেও অবরোধ করে রেখেছে তারা।
এদিকে, দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিবকে নিরাপদে সরিয়ে নিতে গেলে পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে অন্তত ৩ জন আহত হন।
বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, দুর্ঘটনায় হতাহতদের সঠিক সংখ্যা জানানোর হচ্ছে না। হতাহতদের ক্ষতিপূরণ, দুর্ঘটনার রাতে শিক্ষকদের সঙ্গে সেনা সদস্যদের দুর্ব্যবহার ও ক্ষমা চাওয়ার দাবিও জানিয়েছে তারা।
সকাল সাড়ে ১০টায় দুই উপদেষ্টা ও প্রেস সচিব ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসলে দুয়ো ধ্বনি দেন শিক্ষার্থীরা। এক পর্যায়ে কলেজের মূল ভবনের কনফারেন্স রুমে আশ্রয় নেন উপদেষ্টারা। আইন উপদেষ্টা সব দাবির প্রতি একাত্মতা জানালেও শান্ত হননি শিক্ষার্থীরা। এসময় উত্তরার বিভিন্ন জায়গায় সড়ক অবরোধ করেন মাইলস্টোন কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বিকেল ৫টায় ঘটনাস্থল থেকে ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনের প্রতিবেদক জানান, দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ দাবি করেছে শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা এখনও ক্যাম্পাসের মূল গেটে অবস্থান করছেন। সতর্ক অবস্থায় পুলিশ। এছাড়াও বিজিবির দুটি প্লাটুন এখানে অবস্থান নিয়েছেন।
শিক্ষার্থীরা বলছেন, দুর্ঘটনায় কতজন নিহত হয়েছে তার সঠিক তালিকা প্রকাশ করতে হবে। যে সব সেনা সদস্য যারা শিক্ষকদের সঙ্গে খারাপ আচরণ করেছেন তাদের ক্ষমতা চাওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সাবেক শিক্ষার্থীরাও আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন। উপদেষ্টারা পদত্যাগ না করা পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।