রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া শিশু রাইসা মনির (৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া শামসুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানা গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এরআগে, বাজড়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় আলফাডাঙ্গার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল, স্থানীয় সেনাক্যাম্পের সদস্যরা ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, শুক্রবার সকালে রাইসার মরদেহ বাজড়া গ্রামে পৌঁছালে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, বিমান দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসা। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) একটি মরদেহের মুখমণ্ডলের অংশবিশেষ দেখে শিশুটিকে রাইসা বলে দাবি করেন বাবা শাহাবুল শেখ। পরে ডিএনএ প্রতিবেদনে রাইসার মরদেহ শনাক্ত হলে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
একটি গার্মেন্টস এক্সেসরিস প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শাহাবুল শেখ পরিবার নিয়ে উত্তরা নয়ানগরে থাকতেন। তিন ভাই-বোনের রাইসা মেজো। রাইসার বড় বোন সিনথিয়া (১৪) একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও ছোটভাই রাফসান (৪)।
ইউএনও রাসেল ইকবাল জানাজা শেষে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘রাইসার এই মৃত্যু সইবার না। আল্লাহ যেন তার মা-বাবাকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দেন। উপজেলা প্রশাসন রাইসার পরিবারের পাশে আছে। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করব।’
মাইলস্টোন ট্র্যাজেডি: ফরিদপুরে শিশু রাইসার দাফন সম্পন্ন
মাসুদুর রহমান, ফরিদপুর
রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তে ৮০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে মারা যাওয়া শিশু রাইসা মনির (৯) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার গোপালপুর ইউনিয়নের বাজড়া শামসুল উলুম মাদরাসা ও এতিমখানা গোরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
এরআগে, বাজড়া দক্ষিণপাড়া ঈদগাহ ময়দানে তার জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজায় আলফাডাঙ্গার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাসেল ইকবাল, স্থানীয় সেনাক্যাম্পের সদস্যরা ও স্থানীয়রা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, শুক্রবার সকালে রাইসার মরদেহ বাজড়া গ্রামে পৌঁছালে শোকাবহ পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
জানা গেছে, বিমান দুর্ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ ছিলেন তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রাইসা। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) একটি মরদেহের মুখমণ্ডলের অংশবিশেষ দেখে শিশুটিকে রাইসা বলে দাবি করেন বাবা শাহাবুল শেখ। পরে ডিএনএ প্রতিবেদনে রাইসার মরদেহ শনাক্ত হলে বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে পরিবারের কাছে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়।
একটি গার্মেন্টস এক্সেসরিস প্রতিষ্ঠানের স্বত্বাধিকারী শাহাবুল শেখ পরিবার নিয়ে উত্তরা নয়ানগরে থাকতেন। তিন ভাই-বোনের রাইসা মেজো। রাইসার বড় বোন সিনথিয়া (১৪) একই স্কুলের অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও ছোটভাই রাফসান (৪)।
ইউএনও রাসেল ইকবাল জানাজা শেষে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘রাইসার এই মৃত্যু সইবার না। আল্লাহ যেন তার মা-বাবাকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দেন। উপজেলা প্রশাসন রাইসার পরিবারের পাশে আছে। আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করব।’