হত্যাচেষ্টা, ছিনতাইসহ ৭ মামলার আসামি সন্ত্রাসী তানিম রেজা বাপ্পি আগে কখনও গ্রেপ্তার হননি। শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত হলেও, পুলিশ বলছে তদন্তের পরেই তার আসল পরিচয় জানা যাবে। এদিকে, ২ মাসেও শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন হত্যায় গ্রেপ্তার হয়নি কেই। ডিএমপি বলছে, এ বিষয়ে তৎপরতা চলমান আছে। সকালে মিডিয়া সেন্টারে এসব কথা জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ওসমান গণি।
গত বছরের ২৭ মে তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী সুব্রত বাইনকে গ্রেপ্তার করে সেনাবাহিনী। আরও গ্রেপ্তার হয় তার ঘনিষ্ঠ সহযোগী মোল্লা মাসুদ, শ্যুটার আরাফাত ও শরীফ।
২৪ এর ৫ আগস্টের পর একের পর এক হত্যাকাণ্ডে নাম আসতে থাকে আন্ডারওয়াল্ডের সদস্যদের। এসব হত্যার ঘটনায় বেশ কয়েকজন গ্রেপ্তার হলেও অনেক তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ধরাছোঁয়ার বাইরে।
শুক্রবার রাতে রাজধানীর কমলাপুর থেকে সুব্রত বাইনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ও তার অস্ত্রভাণ্ডারের নিয়ন্ত্রক হিসেবে পরিচিত তানিম রেজা বাপ্পিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তবে কর্মকর্তারা বলছেন, বাপ্পী কার অধীনে কাজ করতো সেটা তদন্তের পর জানা যাবে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি বলেন, আমরা গতকাল তাকে গ্রেপ্তার করেছি। আমরা মামলা সূত্রে তাকে কোর্টে চালান করার পর রিমান্ডে আনব। তাকে আরও ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করব, কোথায় কোথায় কী কী অঘটন ঘটিয়েছে। তার সাথে যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। আশা করি, আরও তথ্য আমরা পাব।
বাপ্পির নামে বিভিন্ন থানায় হত্যাচেষ্টাসহ মোট ৭টি মামলা আছে। তবে এতোগুলো মামলার আসামি হলেও এর আগে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি, জানাল পুলিশ।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ ওসমান গণি আরও বলেন, তার নামে ৭টি মামলা আছে। ২০১৬ সালে একটি চাঁদাবাজী মামলা। ২০১৬ সালে একটা দ্রুত বিচার আইনে মামলা। ২০১৬ সালে একটা আত্মহত্যা প্ররোচনা মামলা। ২০২২ সালে একটা হত্যাচেষ্টা মামলা। ২০২৫ সালে নারী নির্যাতন মামলা।
এদিকে রাজধানীতে আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন হত্যার ২ মাস পার হলেও, এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। তবে পুলিশের দাবী, হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের ধরতে তৎপরতা চলছে।



