ডাকসু নির্বাচনের প্রচার শেষ, সুষ্ঠু ভোট নিয়ে শঙ্কা প্রার্থীদের

ডাকসু নির্বাচনে শেষ দিনের প্রচারণায় মুখর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। ভোটে জিতলে নিরাপদ ক্যাম্পাসসহ ৮ বিষয়ে কাজ করার শপথ নিয়েছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। আর অন্য ছাত্রসংগঠনগুলোর প্রার্থীরা নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ নিয়ে প্রকাশ করেছেন শঙ্কা। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছে, ভোট সুষ্ঠু করতে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি। 

একদিন পরেই ডাকসু নির্বাচন। প্রচারণার শেষ দিন, রোবার হল থেকে ক্যাম্পাস-সবখানেই ব্যস্ত সময় কাটিয়েছেন প্রার্থীরা।

রাজনৈতিক শিষ্টাচার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখাসহ ৮ বিষয়ে শপথ নেন ছাত্রদলের প্রার্থীরা। নির্বাচিত হলে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য বসবাসযোগ্য ও নিরাপদ ক্যাম্পাস গড়বেন তারা।

অনেকেই নির্বাচনী আচরণবিধি লংঘন করলেও তেমন কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন, এমন অভিযোগ ছাত্র শিবিরের। 

ছাত্রশিবির ভিপি প্রার্থী সাদিক কায়েম বলেন, ‘এটার মাধ্যমে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয় না। সব মিলিয়ে তাদের অপেশাদারিত্ব আচরণ এবং একটা বিশেষ ছাত্র সংগঠনকে বিশেষ সুবিধা দেওয়া, এর মাধ্যমে আমরা বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিয়ে আমরা আশঙ্কা করছি।’

নির্বাচনে কারচুপির শঙ্কার কথা বলছেন বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের প্রার্থীরা।

বৈষম্যবিরোধী শিক্ষার্থী সংসদের ভিপি প্রার্থী আব্দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের কাছে মনে হয়েছে নির্বাচন কমিশন একটা কারসাজি করছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলছি, নির্বাচন কমিশন একটা কারসাজি করছে। ভোটকেন্দ্রগুলো নিয়ে তারা ইঞ্জিনিয়ারিং করছে। এই ইঞ্জিনিয়ারিংটা একটা পক্ষের বা স্বার্থের দিকে যাচ্ছে।’

জাল ভোটের বিষয়ে সতর্ক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে নেওয়া হয়েছে সব ধরনের প্রস্তুতি।
 
ডাকসু নির্বাচনের প্রধান নির্বাচনী কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দীন বলেন, ‘কোনো ঘটনা ঘটে নাই কিন্তু চতুর দিকে গুজব রটে যাচ্ছে। আমরা এই বিষয়ে আমাদের প্রিয় ছাত্র-ছাত্রী এবং অংশীজনদেরকে আমরা অনুরোধ করব, আপনারা গুজবে কান না দিয়ে আমাদের রিটার্নিং অফিসারদের যে অফিস আছে সেখানে আসতে পারেন।’
  
হাসপাতাল থেকে ছুটির পরই হুইলচেয়ারে বসে প্রচারণা চালায় প্রতিরোধ পর্ষদের জিএস প্রার্থী মেঘমল্লার বসু। তিনি জানান, সবাই ভোট দিতে এলে, টিকবে না এখনকার কোনো সমীকরণই।