পুলিশের লাঠিপেটায় ৩ শিক্ষক আহত

বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসা ও উৎসব ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষকদের ওপর পুলিশের লাঠিচার্জ ও সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপের ঘটনায় তিনজন শিক্ষক আহত হয়েছেন। রোববার বিকেলে আহত অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

আহত শিক্ষকরা হলেন মো. শফিকুল ইসলাম কাজল (৪০), গণপতি হাওলাদার (৩২) এবং আক্কাস আলী (৫৫)।

এর মধ্যে শফিকুল ইসলাম কাজল মাথায় আঘাত পেয়েছেন। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে। গণপতি হাওলাদার বাম পায়ে আঘাত পেয়েছেন; তিনি এসেছিলেন পিরোজপুর থেকে। আক্কাস আলী আঘাত পেয়েছেন ডান পায়ে; তাঁর বাড়ি চাঁদপুরে।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক বলেন, “বিকেলে ওই শিক্ষকদের আহত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হলে জরুরি বিভাগে তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। আমরা বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানা পুলিশকে জানিয়েছি।”

এর আগে, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্দোলনরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের লাঠিচার্জ করে সরিয়ে দেয় পুলিশ। পরে তাদের ওপর জলকামানও নিক্ষেপ করা হয়। একই সময়ে সেখানে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দও শোনা যায়।

শিক্ষকদের কর্মসূচির কারণে প্রেসক্লাবের সামনে যান চলাচল ব্যাহত হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।

বেসরকারি এমপিওভুক্ত জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব দেলোয়ার হোসেন আজিজি বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে দাবি বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত কোনো প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। দাবি মেনে নিতে সন্ধ্যা পর্যন্ত সরকারকে সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রজ্ঞাপন না হলে রাতেও সড়কে অবস্থান করবে শিক্ষকেরা।”

তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার থেকে সারা দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে বেসরকারি এমপিওভুক্ত জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোট।