নিখোঁজের ২১ দিন পর কেরাণীগঞ্জে মা-মেয়ের মরদেহ উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৪

এনজিওর দেড় লাখ টাকা পরিশোধে চাপ দেওয়ায় কেরাণীগঞ্জে ঋণগ্রহীতার হাতে খুন হন মা ও মেয়ে। দুই ঘণ্টার ব্যবধানে দুজনকে হত্যা করা হয়। বাসা থেকে ২১ দিন পর মরদেহ উদ্ধারের পর, সামনে আসে এসব তথ্য। এ ঘটনায় মূল অভিযুক্ত মেয়ের শিক্ষিকা মিম ও তার বোনসহ ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

২০২৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর, বিকাল ৫টা ২২ মিনিট শিক্ষিকা মিমের বাসায় প্রবেশ করেন শিক্ষার্থী ফাতেমা। 

একই দিনের ৭টা ৩৭ মিনিটে ফাতেমার মা রোকেয়াও প্রবেশ করেন শিক্ষিকা মিমের বাসায়। এরপর থেকেই নিখোঁজ হন মা ও মেয়ে।

এ ঘটনার দুদিন পর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় নিখোঁজ অভিযোগ করেন শাহিন আহমেদ। ঘটনার ২০ দিন পর ওই শিক্ষিকার বাসা থেকে মা ও মেয়ের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার হন মূল অভিযুক্ত শিক্ষিকা মিম আক্তার, তার বোন নুসরাতসহ ৪ জন।

কেরাণীগঞ্জ মডেল থানার ওসি এম সাইফুল আলম জানান, এনজিও থেকে টাকা ধার নিয়েছিল অভিযুক্ত শিক্ষিকা মিম। যার জামিনদার ছিলেন রোকেয়া। এনজিওর টাকা ফেরতে চাপ দেওয়ায় ক্ষোভে থেকে হত্যা করা হয়।  

এদিকে, ঘটনার পর থেকে পুলিশ সহযোগিতা করেনি বলে অভিযোগ স্বজনদের। তবে এ ঘটনায় হত্যা মামলা হয়েছে কেরানীগঞ্জ মডেল থানায়।