ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪০ কি‌লো‌মিটার এলাকায় যানজট

ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার এলাকায় যানজটের সৃ‌ষ্টি হ‌য়ে‌ছে। অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি ও যমুনা সেতুর ওপর ও সেতুর সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনার কারণে এই অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। 

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত থেকে যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে পাকুল্লা পর্যন্ত থেমে যানজটের সৃষ্টি হ‌য়। এতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। 

যানজট নিয়ন্ত্রণে আজ বুধবার ভোর ৫টা থেকে যমুনা সেতুর দুই লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গমুখী যানবাহন চলছে।

মৌচাক থেকে আসা পাবনাগামী সুলতান মিয়া বলেন, চন্দ্রা থেকে যানবাহনের ধীরগতি। চন্দ্রা থেকে যানজট। দেড় ঘণ্টার সড়ক আসতে সময় লেগেছে প্রায় সাড়ে ৫ ঘণ্টা। মহাসড়কের পৌলিতে এসেও আটকে আছি প্রায় এক ঘণ্টা। 

অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ, বৃষ্টি ও যমুনা সেতুর ওপর ও সেতুর সংযোগ সড়কে এই যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: ইনডিপেনডেন্টরাজিয়া সুলতানা নামের এক নারী যাত্রী বলেন, ‘আমি রংপুর যাবো। ঢাকার মৌচাক থেকে ধীর গতি। চন্দ্রার পর থেকে যানজট। ৯ ঘণ্টায়ও টাঙ্গাইল পার হতে পারলাম না।’

ভোর ৪টায় আশুলিয়া থেকে গাড়িতে উঠলেও সকাল সারে ৯টায় টাঙ্গাইলের পৌলী পর্যন্ত আসতে পারছেন বলে জানান মো. তুহিন নামের আরেক যাত্রী। তিনি বলেন, যানজটে জীবন শেষ হয়ে যাচ্ছে। 

ঝিনাইগাতীর যাত্রী বৃষ্টি বলেন, ‘যানজটে খুব ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। আমাদের মতো নারীদের আরও বেশি ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।’

একাধিক গাড়ি বিকল ও দুর্ঘটনার কারণে যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। ছবি: ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশনযমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, ‘রাতে বৃষ্টি ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। বেলা বাড়ার সাথে সাথে স্বাভাবিক হবে।’

টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার মুহাম্মদ শামসুল আলম সরকার বলেন, ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কের টাঙ্গাইল অংশে পুরো সড়কেই যানবাহনের চাপ রয়েছে। বৃষ্টি, সড়ক দুর্ঘটনা ও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে এ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। সেতুকে একমুখী করা হয়েছে। দ্রুততম সময়ে স্বাভাবিক হবে।