মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে দগ্ধ: মৃতের সংখ্যা বেড়ে তিন 

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার হাজীপাড়ায় দেওয়ানবাড়িতে মহিলা মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে ইলেকট্রিক ফ্ল্যাশ বার্নের ঘটনায় লামিয়া (১৩) নামের শিশু শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৪৫ মিনিটে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। 

লামিয়ার শরীরে ৫৫ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এ নিয়ে এ ঘটনায় তিন শিক্ষার্থী মৃত্যু হয়েছে। এর আগে, জিদনী (১৪) ও আতিয়া (১১) নামে দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে।

শিশু লামিয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. সুলতান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের হাসপাতালে অপর দুই শিক্ষার্থী আছিয়া ও সুমাইয়ার শরীরে তুলনামূলক কম দগ্ধ হওয়ায় তাদের শারীরিক অবস্থা বর্তমানে স্থিতিশীল। তাদের আইসিইউ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়েছে।’

এর আগে, গত ২৬ সেপ্টেম্বর বিকেলে ফতুল্লার কাশিপুর এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসার ছাদে এ ঘটনা হয়।

মাদরাসাটির ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীই মাদরাসাটির আবাসিক ছাত্রী। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, মাদরাসার ছাদের ওপর দিয়ে যাওয়া উচ্চক্ষমতার বিদ্যুতের তারের সংস্পর্শে এসে তারা দগ্ধ হয়।

ঘটনার পর দগ্ধ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে দুজন চিকিৎসাধীন রয়েছে।