তাহসিফ মাকে লিখেছিলেন ‘আসছি’, কিন্তু খবর আসে মরদেহ উদ্ধারের

বিমানবাহিনীর সাবেক ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট তাহসিফ সাউরীর দেহে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি বলে সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করেছে পুলিশ। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা তা জানা যাবে তদন্তের পর। মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে পরিবার।

২৭ অক্টোবর মায়ের সাথে শপিং শেষে এক সহকর্মীর সঙ্গে দেখা করতে যান তাহসিফ। রাতে এক খুদে বার্তায় মাকে লিখেছিলেন, আসছি। কিন্তু, পরদিন সন্ধ্যায় খবর আসে তার মরদেহ উদ্ধারের। 

মরদেহ উদ্ধারের পর করা প্রাথমিক সুরতহালে দৃশ্যমান কোনো আঘাতের চিহ্ন পায়নি পুলিশ। মৃত্যুর কারণ জানতে ময়না তদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় নৌ পুলিশ। সুরতহাল শেষে তাহসিফের আইফোনটি আলামত হিসেবে জব্দ করেছে পুলিশ। ঢাকা জেলা রেঞ্জের নৌ পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল মামুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

এদিকে ময়নাতদন্তের আগে এ নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নে এ কথা জানান তিনি। 

এ ঘটনাকে কোনোভাবেই দুর্ঘটনা বলে মনে করছেন না স্বজনেরা। তাদের দাবি, তাহসিফকে হত্যা করা হয়েছে। নিহত তাহসিফ সাউরির বাবা কে এম এনায়েতুল করিম হেলাল বলেন, ছেলের মৃত্যুর ঘটনা আত্মহত্যা (সুইসাইড) নয়। সরকার তদন্ত করলে এর সঙ্গে জড়িত প্রকৃত অপরাধীদের বের করতে পারবে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার দেশ ছাড়ার মুহূর্তের একটি ভিডিও ব্যপক আলোচিত হয়। সেই ভিডিও নিজের ফেসবুকে শেয়ার করেছিলেন তাহসিফ। পরে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে বিমানবাহিনী তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠায়।