চাঁদা আদায়ের অভিযোগে বেনাপোল বন্দরের ৬৫ আনসার সদস্যের বদলি

ট্রাক থেকে চাঁদা আদায়ের অভিযোগে বেনাপোল স্থলবন্দরের ৬৫ আনসার সদস্যকে বদলি করা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে শাস্তিমূলক পদক্ষেপ হিসেবে তাদের বদলি করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, বন্দরে আমদানি-রপ্তানি পণ্যের নিরাপত্তা ও পণ্যবাহী ট্রাকের গেট পাস পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ১৬৩ জন আনসার ও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা পিমার ১২৯ জন সদস্য দায়িত্বে রয়েছেন। বন্দরের বিভিন্ন গেটে আমদানি-রপ্তানি পণ্যবাহী ট্রাক যাতায়াতে কাগজপত্র দেখেন এই সদস্যরা। এ সময় ট্রাক প্রতি চাঁদা আদায় করা হয় ২০ থেকে ৩০ টাকা। ফলে মাসে লাখ টাকার ওপরে চাঁদা আদায় করেন তারা। 

বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদার জানান, চাঁদা আদায়ের বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশিত হওয়ায় টনক নড়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের। এরপর ঊর্ধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দুই দফায় বেনাপোল বন্দর থেকে ৬৫ জন আনসার সদস্যকে যশোরে বদলি করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে ১৬৩ জন আনসার সদস্যদের সবাইকে সরিয়ে নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

আনসার সদস্য ছাড়াও বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা পিমার সদস্যদের বিরুদ্ধেও চাঁদা আদায়ে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে মামুন কবির তরফদার জানান, আজ বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে পিমা সদস্যদের মেয়াদ। শুক্রবার থেকে নতুন টেন্ডারের নিরাপত্তা কর্মী নিয়োগ হবে। 

বন্দরের সদ্য যোগদানকারী আনসার কমান্ডার অসিত কুমার জানান, চাঁদা আদায়ের অভিযোগে আনসার সদস্যের বদলি করা হচ্ছে। আনসার ক্যাম্পের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ও বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষার স্বার্থে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।