ধসে পড়ার ১৫ বছরেও নির্মাণ হয়নি সাতক্ষীরার শ্রীউলা ইউপি ভবন

ধসে পড়ার ১৫ বছরেও নির্মাণ হয়নি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন। এতে কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ইউনিয়নটির প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা। ভবন না থাকায় ভাড়া করা সংকীর্ণ কার্যালয়ে সেবা দিতে হিমশিম খাচ্ছেন জনপ্রতিনিধিরা। তবে ইউপি ভবন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সাতক্ষীরার শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের পুরনো ভবন ধসে পড়ে ১৫ বছর আগে। বর্তমানে ভাড়া করা কার্যালয়ে ঢিমেতামে চলছে পরিষদের কার্যক্রম। দিন দিন কাজের পরিধি বাড়লেও ভবন না থাকায় সেবা দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে জনপ্রতিনিধিদের।

জন্মনিবন্ধন, জনসাধারণের প্রত্যায়ন পত্র, ট্রেড লাইসেন্স, গ্রাম আদালত ও সালিশি আদালত বসানোসহ বহুকাজ সম্পাদন করতে হয় ইউনিয়ন পরিষদে। নিজস্ব ভবন না থাকায় এসব সেবা পেতে ভোগান্তি পোহাচ্ছেন শ্রীউল ইউনিয়নের প্রায় ৩০ হাজার বাসিন্দা।

ভবন না থাকায় কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে জানিয়ে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে ভবন নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান।

সাতক্ষীরা শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীপঙ্কর বাছাড় বলেন, ‘ডিজিটাল ইউনিয়ন করতে গেলে ভবনের অবকাঠামোগত দরকার। ভবন করতে গেলে যে যে জিনিস দরকার, তা আমি পূরণ করেছি। বাকিটা সরকারের কৃপা। এমপিও সাহেবেরও ডিও লেটার রয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের কাছে আবেদন, ৭নং শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদ ভবন যাতে হয়, সে ব্যবস্থা করুক’।

সরকারিভাবে শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের ভবন তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার বিভাগ।

সাতক্ষীরা এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী মো. কামারুজ্জামান বলেন, ‘শ্রীউলা ইউনিয়ন পরিষদের আগে জমি ছিল না। পরে তারা জমি কিনেছে। ইউনিয়ন পরিষদ ভবন নির্মাণের এই পর্বে না হলেও পরের পর্বে অন্তভুক্তির চেষ্টা থাকবে’।

জেলার ৭৮টি ইউনিয়নের মধ্যে নিজস্ব কোনো ভবন নেই ২টি ইউনিয়নের।