কুষ্টিয়ার কুমারখালীর পদ্মা নদীতে দুর্বৃত্তদের হামলায় নিখোঁজ আরেক এএসআইয়ের মরদেহ ৫২ ঘণ্টা পর অবস্থায় উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে পাবনার সুজানগর থানার মোহনপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমারখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম। ওসি জানান, আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে হামলার ঘটনাস্থল থেকে ৪৫ কিলোমিটার দূরে পাবনার সুজানগর থানার মোহনপুর এলাকায় পদ্মা নদীতে এএসআই মুকুলের মরদেহ ভাসমান অবস্থায় জেলেরা দেখতে পান। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে নাজিরগঞ্জ পুলিশ ফাঁড়িতে হস্তান্তর করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ কুমারখালীতে আনার পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে শিলাইদহ ঘাট এলাকার পদ্মা নদী থেকে এএসআই সদরুল আলমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সোমবার ভোর রাতে কুমারখালী উপজেলার কয়া ইউনিয়নের বেড় কালোয়া এলাকার পদ্মা নদীতে আসামি ধরতে গেলে দুর্বৃত্তরা তাঁদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় নৌকায় থাকা এএসআই সদরুল আলম ও এএসআই মুকুল হোসেন নদীতে ঝাঁপ দেন। এরপর থেকেই তাঁরা নিখোঁজ ছিলেন। এই হামলার ঘটনায় আহত হয়েছেন এসআই নজরুল ইসলাম ও কয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৫ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ছানোয়ার হোসেন।
নিখোঁজের পর থেকে তাঁদের উদ্ধারে পুলিশের একাধিক দল নৌকা নিয়ে পদ্মায় তল্লাশি চালায়। পাশাপাশি কুষ্টিয়া ও কুমারখালী ফায়ার সার্ভিস ও খুলনা থেকে আসা ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল নদীতে উদ্ধার তৎপরতা চালায়।