কুষ্টিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় ৩ জনের মৃত্যু

কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কে প্রাইভেটকারের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী রাহাত ইসলাম পলাশ (৩০) ও মো. ফাহিম অনিক (২৩) নামের দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে কুষ্টিয়ার খোকসায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় ফরিদুল ইসলাম নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কুষ্টিয়া জিলা স্কুলের সামনে প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল ধাক্কার দুর্ঘটনাটি ঘটে। এ ঘটনায় আহত তানভীর গণি (২৩) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত পলাশ কুষ্টিয়া শহরের মোল্লাতেঘরিয়া এলাকার আসাদুল ইসলাম মোল্লার ছেলে। তিনি ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো কোম্পানি (সাভার) কর্মরত ছিলেন। অন্যদিকে ফাহিম অনিক শহরের কমলাপুর এলাকার আব্দুল মান্নানের ছেলে। তিনি পড়াশোনা শেষে ফ্রিল্যান্সিং করতেন। নিহতরা সম্পর্কে মামা-ভাগ্নে।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোশারফ হোসেন জানান, গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে মোটরসাইকেল আরোহী তিনজন মজমপুরগেট থেকে চা পান করে মোল্লাতেঘরিয়ায় চাচাতো ভাইয়ের গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে যাচ্ছিলেন। পথের মধ্যে জিলা স্কুলের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির একটি প্রাইভেটকার মোটরসাইকেলটি ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাহাত ইসলাম পলাশকে মৃত ঘোষণা করেন।  চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত আড়াইটার দিকে মো. ফাহিম অনিকও মারা যান। আহত তানভীর গণি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

খোকসার দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কুষ্টিয়ার খোকসায় মোটর সাইকেলের ধাক্কায় ফরিদুল ইসলাম নামের এক ভ্যান চালকের মৃত্যু হয়। গতকাল রাত ৮ টার দিকে খোকসার বিজলানি বাজারে বেপরোয়া গতির একটি মোটরসাইকেল ভ্যানচালক ফরিদুলকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে প্রথমে খোকসা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১ টার দিকে ফরিদুলের মারা যান। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।