একের পর এক বোমাসদৃশ বস্তু ও হুমকি দিয়ে লেখা চিরকুট উদ্ধারের ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে মেহেরপুরে। গত ৬ মাসে জেলার ১০টি স্থান থেকে অন্তত ১৩টি ককটেলসদৃশ বস্তু ও চিরকুট জব্দ করা হয়। পুলিশ বলছে, মানুষকে ভয়-ভীতি দেখাতেই এসব ককটেল রাখা হয়। এ বিষয়ে জনসচেতনতা জরুরি। আর স্থানীয়দের দাবি, এর পেছনে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে।
২ জুলাই, সময় দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায়। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার চরগোয়াল গ্রাম থেকে ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ।
শুধু চরগোয়াল গ্রাম নয়; জেলার গাংনী উপজেলারই ৯টি স্থান থেকে ১২টি বোমা সদৃশ বস্তু ও ৩টি হুমকি দিয়ে লেখা চিরকুট উদ্ধার করা হয়।
পুলিশের তথ্যানুযায়ী, গত ৬ মাসে গাংনী উপজেলাসহ জেলার ১০টি স্থান থেকে অন্তত ১৩টি বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়। লাল টেপে মোড়ানো এসব বস্তু ও চিরকুট কখনো সড়কের পাশে, কখনো দোকানের সামনে আবার কখনো বসতবাড়ির প্রবেশপথে রাতের আঁধারে রেখে যাচ্ছে দুর্বৃত্তরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বোমাবাজির পাশাপাশি এলাকায় চুরি ও ছিনতাইয়ের ঘটনাও আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে।
জেলা পুলিশের দাবি, উদ্ধার হওয়া এসব বস্তুর বেশিরভাগই আসল ককটেল নয়।
মেহেরপুরের পুলিশ সুপার উজ্জ্বল কুমার রায় বলেন, ‘মূলত ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে কিংবা মানুষকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ফায়দা লুটতেই একটি চক্র এসব কাণ্ড ঘটাচ্ছে। তবে এ নিয়ে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।’
ভয়-ভীতি দেখানোর উদ্দেশ্যেই হোক কিংবা চক্রান্ত, মেহেরপুরের জনপদকে শঙ্কামুক্ত রাখতে এই আতঙ্ক সৃষ্টিকারী অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি স্থানীয়দের।