বরিশালের আগৈলঝাড়ায় আসামির মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলার ঘটনার প্রায় ১০ দিন পরও থমথমে এলাকার পরিস্থিতি। পুলিশের অভিযানে গ্রেপ্তার এড়াতে পুরুষশূণ্য ফুল্লশ্রি গ্রাম। হামলার ঘটনায় এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ২৪ জনকে। পাশাপাশি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরতে মাঠে নেমেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।
বরিশালে মাদকের স্বর্গরাজ্য হিসেবে পরিচিত আগৈলঝাড়ার ফুল্লশ্রি গ্রাম। গত ৯ জুলাই পুলিশের নির্যাতনে আসামি রিয়াজ ফকিরের মৃত্যুর গুজবে থানায় হামলা চালান স্থানীয়রা। আহত হন ৪ পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১৫ জন।
ঘটনার পর ৪৩ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও অন্তত ৪০০ জনকে আসামি করে মামলা করে পুলিশ। এরপর থেকে গ্রেপ্তার আতঙ্কে এলাকা ছেড়েছেন অনেকেই।
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানার ওসি মাসুদ খান বলেন, ‘গত ৬ মাসে আগৈলঝাড়া থানায় দায়ের করা ৯০টি মামলার মধ্যে ৬১টিই মাদক মামলা। মাদক বেচাকেনায় বাধা দেওয়ার কারণেই থানায় হামলা চালানো হয়।’
বরিশাল জেলা পুলিশ সুপার এ জেড এম মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফুল্লশ্রি গ্রামে চিহ্নিত শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী অন্তত ১২ জন। পুলিশকে টার্গেট করে হামলার সাথে জড়িত অন্যদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।’
থানায় হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ক্ষমতাশালী কারো ইন্ধন রয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয় বিএনপি নেতা আলী হোসেন ভুইয়া।
জেলায় গত ৬ মাসে মাদকবিরোধী ৪০০ অভিযান চালানো হয় এবং গ্রেপ্তার করা হয় ৪৮৬ জনকে।



