৬১ বছরেও কোনো কাঠামোগত সংস্কার না হওয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই চলছে খুলনা বক্ষব্যাধি হাসপাতালের কার্যক্রম। ভবনের বিভিন্ন স্থানে ফাটলের পাশাপাশি খসে পড়ছে ছাদের পলেস্তারা। ফলে, চরম আতঙ্কে রোগী ও চিকিৎসকরা। এ অবস্থায় দ্রুত ভবনটির সংস্কার ও লোকবল নিয়োগের দাবি চিকিৎসক ও রোগীদের।
খুলনাসহ দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার যক্ষ্মা রোগীদের চিকিৎসার একমাত্র ভরসা, খুলনা বক্ষব্যাধি হাসপাতাল। ১৯৬৫ সালে মীরেরডাঙ্গায় ১০০ শয্যার হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠা হয়। এরপর ৬১ বছরেও কোনো সংস্কার হয়নি হাসপাতাল ভবনের। জরাজীর্ণ ভবনের বিভিন্ন স্থানে খসে পড়ছে পলেস্তরা। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুইয়ে পড়ে পানি।
২০২২ সালে ভবনটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করে গণপূর্ত বিভাগ। এরপরও আড়াই দশক ধরে সেখানেই চলছে চিবিৎসা কার্যক্রম। চরম আতঙ্ক নিয়েই সেবা নিচ্ছেন রোগীরা।
খুলনা বক্ষব্যাধি হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ বিশ্বাস বলেন, ‘যেকোনো মুহূর্তে দুর্ঘটনার ঝুঁকি নিয়ে দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসক, নার্স ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এ অবস্থায় সুচিকিৎসা দেওয়া সম্ভব নয়।’
খুলনা বক্ষব্যাধি হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মুহাম্মাদ এমরান হোসেন বলেন, ‘ভবন পুনর্নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
শুধু জরাজীর্ণ ভবন নয়, হাসপাতালটিতে রয়েছে জনবল সংকটও। দ্রুত আধুনিক ভবন নির্মাণ ও হাসপাতালের সেবার মান উন্নত করার দাবি স্থানীয়দের।