শেরপুরে প্রতিবন্ধী কিশোরীকে খুন, বাবাকে খুঁজছে পুলিশ 

শেরপুরে সদরে সাদিয়া (১৩) নামের এক বাক্‌প্রতিবন্ধী কিশোরীকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে। আজ সোমবার দুপুরে সদর উপজেলার কামারের চর ইউনিয়নের পয়স্তীরচর এলাকার সবজির খেত থেকে কিশোরীটির মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। 

নিহত সাদিয়া সদর উপজেলার কামারেরচর ইউনিয়নের সাহাব্দীর চর দশানীপাড় এলাকার জমাদারের মেয়ে। এ ঘটনার পর থেকে সাদিয়ার বাবা জমাদার মিয়াকে খুঁজছে পুলিশ। 

শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জুবায়দুল আলম মরদেহ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ সোমবার সকালে সাদিয়া নাস্তা খেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। পরে দুপুরে সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকা পয়স্তীর চরের একটি সবজির খেতে সাদিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেন কৃষিশ্রমিকরা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে সাদিয়ার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ। 

সাদিয়ার শরীরে একাধিক জখম রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়রা জানান, সাদিয়াকে কুপিয়ে খুন করা হয়েছে।
 
এ বিষয়ে সাদিয়ার মা মারুফা বেগম দাবি করেন, জমাদারের সৎ ভাই আব্দুল আজিজ ও আব্দুল হালিমের সঙ্গে তাদের বিরোধ চলে আসছে। তারা সাদিয়াকে খুন করেছে। 

তবে প্রতিপক্ষকে ফাঁসানোর জন্যও এ ঘটনা ঘটতে পারে। দিনের বেলায় চাঞ্চল্যকর এ খুনের রহস্য উদঘাটনের জন্য জমাদার মিয়াকে খুঁজছে পুলিশ। 

শেরপুর সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) তারেক বিন হাসান বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কে বা কারা জড়িত, সেটি শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। একই সঙ্গে ওই ঘটনায় পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন।’