নাটোরের বড়াইগ্রামে ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে আবুল কাশেম ওরফে বাহাদুর নামে এক বৃদ্ধকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দিয়েছেন আদালত। অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় ৭ জনকে খালাস দেওয়া হয়।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১টার দিকে নাটোরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই আদেশ দেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আবুল কাশেম ওরফে বাহাদুর বড়াইগ্রাম উপজেলার গড়মাটি মধ্যপাড়া মহল্লার মৃত এবাদ আলীর ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০১৮ সালের ১২ জুলাই সকালে শিশু শিক্ষার্থী প্রাইভেট পড়তে যাওয়ার পথে প্রতিবেশী আবুল কাশেম ওরফে বাহাদুর শিশুকে ডাক দিয়ে বাহাদুরের ডেকোরেটরের দোকানে নিয়ে গিয়ে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটির চিৎকারে স্থানীয় একজন দোকানের ভেতরে শিশুটিকে দেখতে পেয়ে উদ্ধার করে এবং তার বাবাকে মোবাইলফোনে ঘটনাটি জানায়। পরে শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার পর শিশুটির বাবা ঢাকা থেকে ফিরে এসে আবুল কাশেমসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে।
পুলিশ তদন্ত করে আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে। দীর্ঘ প্রায় সাড়ে ৬ বছর মামলার স্বাক্ষ্য প্রমাণ নেওয়া শেষে বিচারক আবুল কাশেম ওরফে বাহাদুরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা এবং ৭ জনকে মামলা থেকে খালাস দেন। রায়ে উল্লেখ করা হয় জরিমানার অর্থ শিশুটির পরিবার পাবে।