বগুড়া শহরের প্রধান সড়কগুলো ছেয়ে গেছে বিপজ্জনক তারে। ফুটপাত ও রাস্তা ঘেঁষে বিদ্যুতের খুঁটি ও ল্যাম্পপোস্টে ঝুলে আছে বিদ্যুৎ ও ইন্টারনেটের তার। এসব তার গোটা শহরের সৌন্দর্য যেমন ম্লান করেছে, তেমনি বাড়ছে ঝুঁকিও। পৌর প্রশাসক বলছে, তারের জটলার অব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে ক্যাবল অপারেটরদের সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
বগুড়া শহরের রাস্তার অলিগলিতে বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বিপজ্জনকভাবে ঝুলছে তারের জাল। বৈদ্যুতিক তারের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ডিস লাইন, ইন্টারনেট লাইনসহ বিভিন্ন রকমের তার। এতে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সরকার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর উদাসীনতা ও যথাযথ আইন প্রয়োগে ব্যর্থতার কারণে তারের জঞ্জাল দিন দিন বাড়ছে। এ কারণে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুন লাগার ঘটনাও ঘটছে মাঝেমধ্যে।
বগুড়া সচেতন নাগরিক কমিটির সাবেক সভাপতি মাছুদার রহমান হেলাল বলছেন, এলাকাভিত্তিক সিন্ডিকেটগুলো এসবের সুবিধা নিলেও ঝুঁকিতে আছে পথচারীরা। সমস্যা সমাধানে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও নগর কর্তৃপক্ষকে সমন্বয় করে কাজ করার তাগিদ দিয়েছেন তিনি।
বগুড়া পৌরসভার প্রশাসক মাসুম আলী বেগ বলেন, অপারেটরগুলোর সঙ্গে সমন্বয়ের চেষ্টা করা হবে। পাশাপাশি মাটির নিচ দিয়ে এসব ক্যাবল নিতে বড় পরিকল্পনা ও বাজেট প্রয়োজন।
মাসুম আলী বেগ বলেন, ‘এটার জন্য অনেক বড় পরিকল্পনা দরকার। আগামীতে যারা পৌরসভার দায়িত্ব নেবেন এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। এ ছাড়া পৌরসভার পক্ষে অপারেটরদের ডেকে কীভাবে সুশৃঙ্খলভাবে করা যায় তা আলোচনা করে ব্যবস্থা নেব।’
বগুড়ায় দুই শতাধিক ইন্টারনেট এবং ডিশ লাইন প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। যাদের মধ্যে বেশির ভাগেরই নেই নিবন্ধন। তারের এই অব্যবস্থাপনা ঠেকাতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে নগরবাসী।