রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী আবাসন সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাশাপাশি নিরাপত্তার শঙ্কায় থাকেন তারা। এবার রাকসু নির্বাচনের মূল এজেন্ডা রাবিকে পূর্ণাঙ্গ আবাসিক করার পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। সাইবার বোলিং প্রতিরোধে বিশেষ সেল করার দাবিও উঠেছে। ১৬ অক্টোবর হবে রাবসুর ভোট গ্রহণ।
১৯৫৩ সালে ১৬১ জন শিক্ষার্থী নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রা। বর্তমানে ১২টি অনুষদ, ৫৯ বিভাগ ও ৬টি উচ্চতর গবেষণা ইনস্টিটিউট; আর শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার।
১৭টি আবাসিক হলের মধ্যে ১১টিই ছাত্রদের। বাধ্য হয়ে ৬৮ শতাংশ শিক্ষার্থী থাকেন ক্যাম্পাসের বাইরে। এবার, রাকসু নির্বাচনের প্রার্থীদের প্রধান এজেন্ডা পূর্ণাঙ্গ আবাসন ব্যবস্থা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল জিএস প্রার্থী নাফিউল ইসলাম জীবন বলেন, ‘আমরা নির্বাচিত হলে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাজ করব।’
ছাত্রশিবির সমর্থিত প্যানেল জিএস প্রার্থী ফাহিম রেজা বলেন, ‘আমরা ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে অবগত আছি। নির্বাচিত হলে এ নিয়ে কাজ করা হবে।’
শুধু প্রতিশ্রুতি নয়, বাস্তবায়নের সক্ষমতা আছে এমন প্রার্থীকেই বেছে নিতে চান শিক্ষার্থীরা।
এদিকে, নির্বাচন কমিশন বলছে, নির্ধারিত দিনেই হবে ভোট। দু-একটি অভিযোগ এলেও বড় ধরনের আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়নি।
রাকসু রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. সেতাউর রহমান বলেন, ‘ছাত্রশিবির ও ছাত্রদল-সমর্থিত প্যানেল থেকে বিভিন্ন অভিযোগ এসেছে। তারা বিভিন্ন বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। নির্বাচন কমিশন বিষয়গুলো খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেবে।’
সবশেষ রাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯০ সালে।