দ্রুত পাকছে আম, কাঙ্ক্ষিত দাম পাচ্ছেন না কৃষক

চাঁপাইনবাবগঞ্জের বাগানগুলোতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পেকেছে জনপ্রিয় বিভিন্ন জাতের আম। একটি জাতের আম শেষ হওয়ার আগেই বাজারে উঠছে অন্য জাতের আম। এতে কাঙ্ক্ষিত দাম মিলছে না বলে জানান চাষিরা। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব উল্লেখ করে আম সংরক্ষণে হিমাগার নির্মাণ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের পরামর্শ গবেষকদের। 

এক দশক আগেও বাগানগুলোতে আম পাকার ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা ছিল। বাজারে এক জাতের আম শেষ হলে উঠতো আরেক জাতের আম। তবে এখন প্রায় একই সময়ে সব জাতের আম পেকে যাওয়ায় বিঘ্ন ঘটছে ধারাবাহিকতায়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি আব্দুল ওয়াহেদ বলেন, ‘এ বছর মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে গুটি ও গোপালভোগ আম পাকা শুরু হয়। এর কিছুদিন পরই পাকতে শুরু করে ক্ষিরসাপাত। এই জাতের আম শেষ হওয়ার আগেই বাজারে চলে আসছে ল্যাংড়া, বারি-৪ এমনকি আম্রপালিও।’

উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শরফ উদ্দীন বলেন, ‘সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আমের মৌসুমে তাপমাত্রা বেশি থাকছে, কমে গেছে বৃষ্টিপাতও। এ কারণেই স্বল্প সময়ের ব্যবধানে পেকে যাচ্ছে বিভিন্ন জাতের আম। সংরক্ষণের জন্য হিমাগার নির্মাণের পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাতকরণে বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থা নিতে হবে।’

জেলায় এবার ৩৭ হাজার ৪৮৭ হেক্টর জমিতে আম চাষ হয়েছে। প্রায় ৪ লাখ মেট্রিক টন আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা কৃষি বিভাগের।