নাটোরের হালতিবিল ও চলনবিলে আগ্রহ বাড়ছে পর্যটকদের

মিনি কক্সবাজার নামে খ্যাত নাটোরের হালতিবিল ও চলনবিলে বর্ষা মৌসুমে বেড়াতে আসছেন ভ্রমণপিপাসু মানুষেরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে নৌকা ভ্রমণ। তবে বেশিরভাগ নৌকায় নেই সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা। নৌকাডুবিসহ নানা দুর্ঘটনার শঙ্কায় প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় নজরদারি বাড়ানোর দাবি পর্যটকদের।

নাটোরে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে দেশের বৃহত্তম চলনবিল এবং হালতিবিল। বর্ষা মৌসুমে কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে ওঠে বিল দুটি। এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য দেখতে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে ছুটে আসেন হাজারো পর্যটক।

প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যস্ত শত শত নৌকায় বিলে ঘুরে বেড়ান ভ্রমণপিপাসুরা। কিন্তু অধিকাংশ নৌকায় নেই লাইফ জ্যাকেট। এছাড়া, ভিড় বাড়লে অনেক নৌকায় ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত লোক ওঠানো হয়। এতে প্রায়ই ঘটে দুর্ঘটনা। 

জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী, চলনবিল ও হালতি বিলে পর্যটকবাহী নৌকায় ‘লাইফ জ্যাকেট’ রাখা বাধ্যতামূলক। তবে এ বিষয়ে প্রশাসনের কোনো নজরদারি না থাকায় মানা হচ্ছে না নির্দেশনা।

নাটোরের জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন বলেন, ‘পর্যটকদের নিরাপত্তায় নজরদারির পাশাপাশি বিল এলাকায় পুলিশ সদস্যদের মোতায়েন করা হবে।’

নৌকায় নিরাপত্তা সরঞ্জামের পাশাপাশি নারী-শিশুসহ সবার জন্য স্বস্তিদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিতে পর্যাপ্ত রেস্টরুমের ব্যবস্থা করার দাবি পর্যটকদের।