পঞ্চগড়ে দিনের তাপমাত্রা অল্প বাড়লেও আবারও কমেছে রাতের তাপমাত্রা। ঘন কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়েছে গোটা এলাকা। দিনেও হালকা কুয়াশার কারণে তিনদিন ধরে সূর্যের দেখা নেই। সঙ্গে উত্তরের হিমশীতল বাতাসে জেঁকে বসেছে হাড় কাঁপানো শীত। তেঁতুলিয়াসহ জেলার আশপাশের এলাকায় বিকেলের পর শুরু হয় ঘনকুয়াশা। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে বেড়ে যায় কুয়াশার দাপট। রাতভর শিশিরের মতো কুয়াশা ঝড়ে।
বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় দিনের (সর্বনিম্ন) তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করেছে তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিস। গতকাল বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তবে দিনের (সর্বোচ্চ) তাপমাত্রা অল্প বেড়ে ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি থেকে রেকর্ড করা হয় ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি।
মঙ্গলবার থেকে টানা তিনদিন ধরে ঘনকুয়াশায় ঢেকে রয়েছে তেঁতুলিয়া। দিনভর সূর্যের মুখ দেখা যায়নি। দিনের আলোয় সড়ক-মহাসড়কে হেডলাইট জ্বালিয়ে যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। হাড় কাঁপানো শীতে দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ।
তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের তালমা এলাকার ইজিবাইক চালক ফয়জুল ইসলাম বলেন, 'ঠান্ডার জন্য কেউ গাড়িতে ওঠে না। আমাদের আয় কমে গেছে। সারাদিন ৩০০ টাকাও ইনকাম হয় না। খুব কষ্টে আছি।'
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ রায় বলেন, 'বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৬ ডিগ্রি। এদিন সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ১৬ দশমিক ৫ ডিগ্রি রেকর্ড করা হয়। দিন ও রাতের তাপমাত্রা আরও কমতে পারে।'