হাঁড়িভাঙা আমে জমজমাট রংপুরের হাট-বাজার

রংপুরের জিআই পণ্যখ্যাত হাঁড়িভাঙা আমের মৌসুম শুরু হতেই জেলার হাট-বাজার জমজমাট। নির্ধারিত সময়ের আগেই গাছে আম পেকে যাওয়ায় বাজারে বেড়েছে সরবরাহ। এবার প্রায় ৩০০ কোটি টাকার ব্যবসার আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পদাগঞ্জ হাটে এখন হাঁড়িভাঙা আমের জমজমাট বেচাকেনা চলছে। ১৫ জুন থেকে আম সংগ্রহ শুরু হওয়ার পর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পাইকার ও ব্যবসায়ীরা হাটে ভিড় করছেন। শুধু পদাগঞ্জ নয়, জেলার প্রায় দেড় শতাধিক হাট-বাজার ও বিক্রয়কেন্দ্রে এখন বিক্রি হচ্ছে হাঁড়িভাঙা আম। 

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, প্রতিবছর টোল আদায় হলেও হাটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। 

চলতি মৌসুমে শিলাবৃষ্টি ও বৈরী আবহাওয়ায় ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ আম ঝরে গেছে। মানভেদে প্রতি মণ হাঁড়িভাঙা আম বিক্রি হচ্ছে ১২০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকায়।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘রংপুর সদর, মিঠাপুকুর ও বদরগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় এবার হাঁড়িভাঙা আমের ভালো ফলন হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৩০০ কোটির টাকার বেশি বেচাকেনা হতে পারে।’

রংপুরের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রুহুল আমিন বলেন, ‘২০২৪ সালে জিআই স্বীকৃতি পাওয়ার পর দেশ-বিদেশে হাঁড়িভাঙা আমের চাহিদা আরও বেড়েছে।’

রংপুরে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের আমের চাষ হয়। এর মধ্যে ১ হাজার ২৬০ হেক্টর জমিতে রয়েছে ৪ হাজার ৭৫টি হাঁড়িভাঙা আমের বাগান।