বগুড়া বিআরটিএ অফিসে গাদাগাদি করে চলছে কার্যক্রম

অবকাঠামো সংকট ও জনবলের অভাবে বগুড়া বিআরটিএ অফিসে গাদাগাদি করে চলছে কার্যক্রম। দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকছেন সেবাপ্রার্থীরা। এতে বাড়ছে ভোগান্তি। ২০১৭ সালে প্রায় ৪ একর জমির ওপর ভবন নির্মাণের নকশা সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হলেও এখনও কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জনবল বাড়ালে সংকট কিছুটা কমবে আশা সংশ্লিষ্টদের।

৯ কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়ে ১৯৮৯ সালে বগুড়া ডিসি অফিসের এক পুরনো ভবনে কাজ শুরু করে বিআরটিএ। তখন মটরযানের রেজিস্ট্রশন, ড্রাইভিং লাইসেন্স ও মালিকানা পরিবর্তনসহ নানা কাজে ওই অফিসে দিনে আসতেন গড়ে ৩৫ জন। বর্তমানে প্রতিদিনে সেবা নেন ৫ শতাধিক মানুষ। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে, দীর্ঘ লাইনে ভোগান্তির অভিযোগ সেবাপ্রার্থীদের।

বিআরটিএ–এর সহকারী পরিচালক মোহাম্মাদ হারুন উর রশিদ বলেন, ‘জনদুর্ভোগ কমাতে ২০১৪ সালে লোকবল বাড়ানোর পাশাপাশি নিজস্ব ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৭ সালে প্রায় ৪ একর জমির ওপর ভবন নির্মাণের নকশাসংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠানো হয়। তবে এখনো কার্যকর কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

৩৭ বছরে বগুড়া বিআরটিএ অফিসে জনবল বেড়েছে মাত্র ২ জন, তবে সেবাপ্রার্থী বেড়েছে প্রায় ১৭ গুণ। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিপুলসংখ্যক মানুষের সেবা নিশ্চিততে জনবল বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন অবকাঠামোর উন্নয়ন।