মির্জা ফখরুলের ছেড়ে আসা আসনে বদলাচ্ছে ভোটের সমীকরণ

রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ছেড়েছেন ঠাকুরগাঁও–১ আসন। তাই শূন্য ঘোষিত এই আসনের উপনির্বাচন ঘিরে এরই মধ্যে শুরু হয়েছে নতুন হিসাব নিকাশ।

আসনটিতে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী নিয়ে চলছে নানা আলোচনা।অন্যদিকে মির্জা ফখরুল ইসলামের শুন্যতার সুযোগ কাজে লাগিয়ে প্রতিপক্ষরা চান আসনটির দখল।

রাষ্ট্রপতি হয়ে পদ ছেড়েছেন ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আর এতেই নতুন করে আলোচনায় আসনটি।

দীর্ঘদিন এই আসনের রাজনীতিতে প্রভাব ছিল বিএনপি মহাসচিবের। এবার তাঁর অনুপস্থিতিতে কাকে প্রার্থী করবে দল, সেদিকেই নজর স্থানীয় রাজনীতিকদের।

ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি ফয়সল আমিন বলেন, সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা আছে তিন মাসের মধ্যেই নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে নিঃসন্দেহে দল থেকে প্রার্থী ঠিক করা হবে। দল থেকে যিনি মনোনীত হবেন, দল তার জন্যই কাজ করবে।

আগের নির্বাচনে বিএনপির কাছে হারলেও এবার সুযোগ খুঁজছে প্রতিপক্ষরা। বিশেষ করে মির্জা ফখরুল ইসলামের মত রাজনীতিকের শুন্যতায় নতুন সমীকরণের সম্ভাবনা দেখছেন কেউ কেউ।

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষিদ সদস্য দেলাওয়ার হোসেন বলেন, নির্বাচনী প্রচারণায় তিনি উপস্থাপন করেছিলেন এটিই তার শেষ নির্বাচন। শেষবারের জন্য তিনি জনগণের কাছে ভোট চেয়েছিলেন, এটার সিম্প্যাথি তখন কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস সেটা আমি বা যাবে মনোনয়ন পাবে সে পাবে।

সংবিধান অনুযায়ী, ৯০ দিনের মধ্যেই হতে হবে শুন্য আসনে নির্বাচন। তফসিল ঘোষনার পর ৩০ দিনেই শেষ হবে পুরো কার্যক্রম।

নির্বাচন বিশ্লেষক আ ক ম সাইফুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন করতে হবে, এটা বাধ্যবাধকতা। এখন তফসিল ঘোষণা করা হবে। সে অনুযায়ী নির্বাচন হবে।

আসনটিতে শেষ হাসি কে হাসবেন, তা জানতে অপেক্ষা করতে হবে তফসিল ও মনোনয়ন পর্যন্ত।