হেমন্তের মাঝামাঝিতে উত্তুরে হাওয়ায় ধীরে ধীরে মিলছে শীতের আমেজ। দেশের উত্তরের সীমান্ত জেলাগুলোয় কোনো কোনো রাতে অনুভূত হচ্ছে শীত। এর সঙ্গে সকাল ও সন্ধ্যায় পড়ছে ঘন কুয়াশা। প্রকৃতির এমন পরিবর্তনে শীত ঘিরে গ্রামীণ জনপদে চলছে নানা ঐতিহ্যবাহী প্রস্তুতি।
উত্তরের সীমান্তঘেঁষা নীলফামারী, লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম জেলায় দিনে গরম থাকলেও রাতে হালকা ঠান্ডা পড়ছে। হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় পঞ্চগড়-নীলফামারী ও আশপাশের এলাকায় সারা দেশের তুলনায় আগেই উপস্থিতি জানান দেয় শীত ঋতু।
নীলফামারীতে দিনে রোদের দেখা মিললেও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামতেই অনুভব হয় শীত। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পড়ছে কুয়াশাও।
ভোরে সেই কুয়াশার শিশির ফুটে থাকে ঘাসের আগায়, ধানের শীষে।
এর মধ্যে কৃষকের ঘরে উঠতে শুরু করেছে কার্তিকের নতুন ধান। নতুন চালের ঘ্রাণে গ্রামবাংলার ঘরে ঘরে নবান্নের আমেজ। সেই সাথে বাজারে উঠছে শীতের নানা ধরনের সবজি।
লালমনিরহাটে গভীর রাত থেকে সকাল পর্যন্ত বইছে হালকা ঠাণ্ডা হাওয়াঅ ভোরে মাঠের ঘাস, গাছের পাতা ও ফসলের ওপর জমে থাকা শিশির দিচ্ছে শীতের আভাস। বিশেষ করে ভোরে কাজে বের হওয়া শ্রমজীবী মানুষ, কৃষক ও পথচারীরা অনুভব করছেন আবহাওয়ার এ পরিবর্তন।
কুড়িগ্রামেও সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা থাকছে চারপাশ।উত্তুরে হাওয়ায় ধীরে ধীরে শীত নামছে প্রকৃতিতে। মাসের শুরু থেকেই।
বাতাসে মিলছে হিমেল ছোঁয়া। ঘন কুয়াশায় ভোর বেলা যানবাহন চলছে হেডলাইট জ্বালিয়ে।
কুড়িগ্রামে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমেছে ১৯ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। শীতের কনকনে ঠান্ডা হাওয়া সামলাতে সামর্থ্য অনুযায়ী প্রস্তুতি নিচ্ছেন সবাই।