সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা মামলায় এক জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এ মামলায় প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, জাতীয় সংসদের সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৯ জনকে খালাস দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার বহুল আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।
আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী (পিপি) আবুল হোসেন জানান,মামলায় ১০ আসামীর মধ্যে হাফিজ নাইম নামে একজন আসামিকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। বাকি ৯ জনকে বেকসুর খালস দেন আদালত।
২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলেই নিহত হন এবং ২৯ জন আহত হন।
এ ঘটনায় সুরঞ্জিত সেনগুপ্তকে হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করা হয়।
২০২০ সালের ২২ অক্টোবর সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনায় দুটি মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, তৎকালীন সিলেট সিটি করপোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র জি কে গউছসহ ১০ জনকে আসামি করে অভিযোগ গঠন করা হয়।
এদিকে রায় ঘোষণার পর খালাসপ্রাপ্ত নেতারা এটিকে ন্যায়বিচারের প্রতিফলন বলে মন্তব্য করেন। তাদের দাবি, মামলাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে হয়রানির জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।