চাহিদার অর্ধেক পানিও সরবরাহ করতে পারছে না সিসিক

পানি চাহিদার অর্ধেকও সরবরাহ করতে পারছে না সিলেট সিটি করপোরেশন। ফলে নগরজুড়ে দেখা দিয়েছে তীব্র পানি সংকট। সংকট মোকাবিলায় নতুন একটি প্ল্যান্ট তৈরির উদ্যোগের কথা জানিয়েছে সিটি করপোরেশন। এদিকে, প্রতিষ্ঠার ৪ বছরেও কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি ওয়াসা।

একদিকে তীব্র গরম। আর অন্যদিকে সিলেট মহানগরজুড়ে পানির তীব্র সংকট। ১০ লাখ মানুষের দৈনিক পানি চাহিদার অর্ধেকও সরবরাহ করতে পারছে না সিটি করপোরেশন। 

মহানগরীর ৪২টি ওয়ার্ডে প্রতিদিন প্রয়োজন প্রায় ১৩ কোটি লিটার পানি। আর সিটি করপোরেশনের সক্ষমতা মাত্র সাড়ে ৪ কোটি লিটার। ফলে পানির হাহাকার কমছে না।

বর্তমানে কুশিঘাট ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট এবং ৪৫টি নলকূপের মাধ্যমে পানি সরবরাহ করছে সিটি করপোরেশন, যা চাহিদার তুলনায় অনেক কম। 

সিসিকের সহকারী প্রকৌশলী এনামুল হক তাপাদার বলেন, ‘ঘাটতি পূরণে নতুন টিউবওয়েল স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে।’ 
 
সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী জানান, শহরতলীর চেঙ্গেরখাল নদে পানি শোধনাগার নির্মাণ হবে। এতে বর্ধিত ওয়ার্ডগুলোতেও পানি সরবরাহ করা যাবে। 

২০২১ সালে সিলেট সিটিতে নতুন ১৫টি ওয়ার্ড যুক্ত হয়। কিন্তু ৫ বছরেও ওয়ার্ডগুলোতে পানি সরবরাহ শুরু করা যায়নি। দ্রুত ওয়াসার কার্যক্রম শুরু করে নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের দাবি নগরবাসীর।