আমদানি শুরুর পরেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি আলুর বাজার। আলু বিক্রিতে এখনও কার্যকর হয়নি সরকারের বেধে দেওয়া দাম। এদিকে, সামান্য কমলেও এখনও অস্বাভাবিক পেঁয়াজের দাম। তবে, মৌসুম শেষের দিকে আসায় মজুত পেঁয়াজ বাজারে ছাড়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
দেশে হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে গত ১৪ সেপ্টেম্বর আলুর পাইকারি ও খুচরা দাম বেধে দেয় সরকার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হিমাগারে প্রতি কেজি আলু ২৬ থেকে ২৭ টাকা আর খুচরা বাজারে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হওয়ার কথা। সরকার দাম বেধে দিলেও তার প্রভাব বাজারে পড়েনি। রাজধানীতে বাজার ভেদে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয়েছে ৬০ থেকে ৭০ টাকায়।
আলুর বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে ভোক্তা অধিকারসহ সরকারি বিভিন্ন সংস্থা অভিযান চালালেও তা কার্যত ব্যর্থ হয়। এমন বাস্তবতায় গত ৩১ অক্টোবর বিদেশ থেকে আলু আমদানির সিদ্ধান্ত নেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। আমদানির আলু দেশে আসতে শুরু করে ২ নভেম্বর থেকে। ভারত থেকে প্রতি কেজি আমদানিতে খরচ হচ্ছে ২৫ টাকা।
সীমান্ত পেরিয়ে আলু দেশের বাজারে আসার খবরে কিছুটা কমে দাম। তবে, এখনও সরকারের বেঁধে দেয়া দামের ধারেকাছে নেই। খুচরায় আলু কিনতে হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫৫ টাকায়। রাজধানীর ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি হলেও ভারতীয় আলু হাতে পাননি তারা।
এদিকে, ভারতের রপ্তানি মূল্য বেঁধে দেয়ার পর থেকে চড়া দেশের পেঁয়াজের বাজার। দেশি পেঁয়াজ মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। আর ভারতীয় পেঁয়াজের কেজি ৮৫ থেকে ১০০ টাকা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আমদানি বাড়লে আরও কমবে আলুর দাম। মৌসুম শেষের দিকে আসায় মজুত পেঁয়াজও ছাড়া হচ্ছে বাজারে। তাই সামনে পেঁয়াজের দামও কমার সম্ভাবনা দেখছেন ব্যবসায়ীরা।