চালের দাম কমায় মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি কিছুটা হ্রাস পেয়েছিল। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে বিরাজমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানির দাম বাড়ায় আবারো অর্থনীতিতে মূল্যস্ফীতির চাপ তৈরি হয়েছে। পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য।
প্রতিবেদনে অনুসারে, ২০২৬ সালের মার্চ মাসে সামগ্রিক মূল্যস্ফীতি সামান্য কমে ৮ দশমিক ৭১ শতাংশে নেমে এসেছিল, যা ফেব্রুয়ারিতে ছিল ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। মূল্যস্ফীতি কমার প্রধান কারণ ছিল খাদ্য মূল্যস্ফীতি। বিশেষ করে চালের দাম কমায় বাজার কিছুটা স্থিতিশীল ছিল।
বোরো ধান কাটার ফলে দেশীয় সরবরাহ বৃদ্ধি, আমদানি প্রবাহ ঠিক থাকা, এবং খোলা বাজারে বিক্রি কার্যক্রম- সবকিছু মিলিয়ে মার্চে চালের দাম ছিল নিম্নমুখী।
তবে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি ছিল আগের চেয়ে কিছুটা বেড়েছে। ফেব্রুয়ারির ৯ দশমিক শূন্য এক শতাংশ থেকে মার্চে ৯ দশমিক শূন্য নয় শতাংশ পৌঁছায় খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি।