প্রস্তাবিত বাজেট বিনিয়োগ বান্ধব। তবে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হবে কঠিন। এমন অভিমত, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ-আইসিএবির। শনিবার এক সংবাদ সম্মেলেনে সংগঠনটি রাজস্ব আহরণের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার পাশাপাশি প্রশাসনিক ও আর্থিক সংস্কারের পরামর্শ দেয়।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অর্জনের লক্ষে, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বাড়িয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জোর দিয়েছে সরকার। প্রস্তাবিত বাজেটে আছে তারই দিকনির্দেশনা। চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টদের সংগঠন আইসিএবি এমনটাই মনে করে।
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে সংগঠনটির সদস্যরা স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য পরামর্শ দেন, কর-জিডিপি অনুপাত বাড়াতে। পাশাপাশি, কর ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে।
আইসিএবি সভাপতি এন কে এ মবিন বলেন, ‘প্রস্তাবিত বাজেট অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, রাজস্ব আহরণ বৃদ্ধি, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ এবং বেসরকারি খাতের উন্নয়নে সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। তবে ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে সমন্বিত সংস্কার ও কর প্রশাসনের দক্ষতা বাড়ানো প্রয়োজন।’
আইসিএবি মনে করে, কর বা ভ্যাট ব্যবস্থায় সরকারের নেয়া কয়েকটি প্রদক্ষেপ ইতিবাচক। ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের ভ্যাট অব্যাহতি দেয়ায় তরুণ উদ্যোক্তা তৈরি হবে। সৃষ্টি হবে নতুন কর্মসংস্থান। তবে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা আনা জরুরি। আরও দরকার, পুঁজিবাজারে সংস্কার আনা।
কর বিশেষজ্ঞ স্নেহাশিস বড়ুয়া, ‘রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা আনা জরুরি। পুঁজিবাজারেও সংস্কার আনা দরকার।’
আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে নিরীক্ষা ব্যবস্থা শক্তিশালীসহ সরকারি ব্যায়ে জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলেও জানায় আইসিএবি।