অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, জমি কেনাবেচায় প্রকৃত মূল্য নিশ্চিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, তাহলে আর কালো টাকা সাদা করার দরকার হবে না। আজ শুক্রবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে বাজেট পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
বাজেটে সব নাগরিকের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ও ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করা হয়েছে বলে জানান অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘দেড় দশকের বেশি সময় বাজেটে জনগণের ইচ্ছের প্রতিফলন হয়নি। সেই ধারা থেকে বের হয়ে সীমিতি সম্পদ নিয়েও সকল নাগরিকের প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করা হয়েছে।’
এবার বাজেটে অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নে জোর দেওয়া হয়েছে জানিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে কেবল কিছু মানুষ, গোষ্ঠী অর্থনীতির সুবিধা নিতো। বাজেটে ব্যবসা সহজীকরণে জোর দেয়া হয়েছে। লাইসেন্স প্রক্রিয়ার সময় কমানো, মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল, বন্দর ব্যবস্থাপনা উন্নয়নে পদক্ষেপ থাকবে। অদক্ষতা কমিয়ে ব্যবসার খরচ কমানোর চেষ্টা থাকবে।’
অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অভ্যন্তরীণ এসব পদক্ষেপে মূল্যস্ফীতি মোকাবিলা সহজ হবে। তবে বৈশ্বিক অস্থিরতার প্রভাবে যতটুকু দাম বাড়তে পারে তা হয়তো মোকাবিলা করা যাবেনা। জ্বালানি, খাদ্য, সারের নিরাপত্তার জন্য ৩ মাসের মজুত মাথায় রাখতে হবে।’
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধি হলে দুর্নীতি কমবে বলে আশা করছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন,‘সরকারি কর্মচারীদের জীবনযাত্রার ব্যয় বেড়েছে, তাই বেতন সমন্বয় করা জরুরি। স্বাভাবিকভাবে মানুষের যখন অভাব থাকে তখন দুর্নীতির আশ্রয় নেয়ার একটা প্রবণতা থাকে। এটা তো অস্বীকার করে লাভ নেই।’



