দেশের বাজারে সোনার দাম আরও বেড়েছে। ভরিতে এবার সর্বোচ্চ বেড়েছে ৫ হাজার ৪৮২ টাকা। আজ সোমবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) নতুন এ দর নির্ধারণ করেছে।
বাজুস জানিয়েছে, নতুন দর সকাল ১০টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পাকা সোনা) দাম বাড়ার পরিপ্রেক্ষিতে এই দাম বাড়ানো হয়েছে।
নতুন দর অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ৪৮২ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৪২২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনার দাম ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ১৯ হাজার ৯৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ৪ হাজার ৪৯১ টাকা বাড়িয়ে নতুন দাম ১ লাখ ৮৮ হাজার ৫৪৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনায় ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা বাড়িয়ে দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৩ হাজার ৫৫৭ টাকা।
সোনার দামের পাশাপাশি রুপার দামও বাড়ানো হয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৫ হাজার ১৩২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ২৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৪ হাজার ৪৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি রুপার দাম ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ৩ হাজার ৩২৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত ১৩ জুন সোনার ভরিতে সর্বোচ্চ বাড়ানো হয় ৬ হাজার ৫৯০ টাকা। বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছিল বেশ কিছুদিন আগে। তবে কয়েক সপ্তাহজুড়েই চলে দামের নাটকীয় ওঠা-নামা।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণেই সোনার দামে এই অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। বার বার দাম সমন্বয়ের কারণে বিভ্রান্ত হচ্ছেন ব্যবসায়ী ও ক্রেতা উভয়ই।
বিশ্ববাজারে দাম বৃদ্ধির পর দেশের বাজারেও ভালো মানের এক ভরি সোনার দাম উঠেছিল ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে দর কমতেই দেশের বাজারেও বড় ধরনের সমন্বয় শুরু হয়।
করোনার পরের পাঁচ বছরে বিশ্বে সোনার দাম ঝড়োগতিতে বেড়েছে। দেশে ২০২৩ সালের জুলাইয়ে প্রথমবার এই ধাতুটির দাম ভরিতে ছাড়ায় এক লাখ টাকা।